shono
Advertisement
Nadia

'ঠিক করেছে', বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের এনকাউন্টারকে 'সমর্থন' মেয়ে হারানো নদিয়ার দুই মা'র

এনকাউন্টারে খতম বারুইপুর গণধর্ষণের এক অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। অনেকে বলছেন বেশ হয়েছে। অনেকের দাবি আইনি উপায়ে বিচার হওয়া উচিত। এই আবহে মুখ খুললেন মেয়ে হারানো নদিয়ার দুই মা।
Published By: Subhankar PatraPosted: 05:44 PM Jul 08, 2026Updated: 08:29 PM Jul 08, 2026

এনকাউন্টারে খতম বারুইপুর গণধর্ষণের এক অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। অনেকে বলছেন বেশ হয়েছে। অনেকের দাবি আইনি উপায়ে বিচার হওয়া উচিত। এই আবহে মুখ খুললেন মেয়ে হারানো নদিয়ার দুই মা। হাঁসখালি গণধর্ষণ কাণ্ডের নির্যাতিতার মা ও কালীগঞ্জের তামান্নার মায়ের মত একই। ধর্ষণ ও খুনের মতো অপরাধে জড়িতদের এটাই উপযুক্ত শাস্তি দাবি তাঁদের।

Advertisement

হাঁসখালির নাবালিকাকে গণধর্ষণ-খুনে দোষীদের যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। তবে মেয়ে হারানোর যন্ত্রণা আজও প্রতি মুহূর্তে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে মাকে। বারুইপুরের নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুনের কথা শুনে, সেই রাতের ভয়াল স্মৃতি ফের উঁকি মেরেছিল তাঁর মনে। বুধবার সকালে এনকাউন্টারের খবর পেয়ে তাঁর মন্তব্য, "খুব ভালো করেছে। যারা মায়ের কোল খালি করে, তাদের উপযুক্ত শাস্তি এটাই।" তাঁর দাবি, ধর্ষণ ও খুনের মতো নৃশংস অপরাধে অভিযুক্তদের প্রতি কোনও সহানুভূতি দেখানো উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, "পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী যেন এই ধরনের অপরাধীদের ক্ষেত্রে এমন কঠোর পদক্ষেপই বজায় রাখেন।"

অন্যদিকে, তৃণমূলের বিজয় মিছিলের সময় বোমা হামলায় মারা যায় কালীগঞ্জের ছোট্ট তামান্না। মেয়ের দোষীদের সাজা দেওয়ার লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছে তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন। বারুইপুরের গণধর্ষণ ও খুনে এনকাউন্টারের ঘটনা শুনে তাঁর মন্তব্য, "মেয়ে হারানোর যন্ত্রণাটা আজ একটু হলেও কমেছে। যে অপরাধীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে অন্তত একজন শাস্তি পেল।" তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, "এতেই সব শেষ নয়। এই মামলার বাকি অভিযুক্তদেরও ফাঁসির সাজা দিতে হবে। সরকারের কাছে আমার আবেদন, কেউ যেন ছাড় না পায়।" পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাজ্যে যদি এখনও তৃণমূল সরকার থাকত, তাহলে হয়তো এই এনকাউন্টারও হত না।"

পাশাপাশি জানিয়েছেন, তামান্না খুনে গত এক বছর ধরে তিনি ন্যায়বিচারের আশায় প্রশাসনের দ্বারে ঘুরেছেন। তাঁর কথায়, "বারবার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি। একটাই দাবি ছিল। অপরাধীদের ফাঁসি দিতে হবে। কিন্তু এক বছর কেটে গেলেও এখনও বিচার পাইনি।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement