আমজনতার কাছে কম খরচে খাঁটি ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার লড়াইটা আগেই শুরু হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে এবার গতি বাড়াল মোদি সরকার। সাধারণ মানুষের স্বস্তি বাড়িয়ে এক দিনে রাজ্য পেল জোড়া নতুন জেনেরিক ওষুধের দোকান। একটি খুলল কলকাতায়, অন্যটি পূর্ব বর্ধমানে। চিকিৎসাক্ষেত্রে খরচের বোঝা কমাতে জেনেরিক মেডিসিনকে গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যেই বৃহস্পতিবার নতুন দুটি 'জেনেরিকার্ট মেডিসিন স্টোর'-এর যাত্রা শুরু হল।
কলকাতায় নতুন শাখা। নিজস্ব ছবি
কলকাতার হাজরা রোডে ন্যাশনাল হাই স্কুলের উলটো দিকে স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য খুলে গেল 'হেলদি ফ্যামিলি জেনেরিকার্ট মেডিসিন স্টোর'। নতুন এই শাখার শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক তথা বিএফটিসিসি-র সভাপতি ফিরদাউসুল হাসান। অনুষ্ঠানে সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক শ্রীপাদ কোলহাটকর, সলিম সাইয়্যাদ, সিইও শরদ ঝুনঝুনওয়ালা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রেয়স চিটনিস ও রিজিওনাল হেড পার্থ সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।
পূর্ব বর্ধমানে নতুন স্টোর। নিজস্ব ছবি
অন্যদিকে, একই দিনে পূর্ব বর্ধমানের জিটি রোডের ওপর কেশবগঞ্জ চটি এলাকায় যাত্রা শুরু করল 'শ্রী মা জেনেরিকার্ট মেডিসিন স্টোর'। হেলথ কেয়ার হাসপাতালের ঠিক বিপরীতে তৈরি হয়েছে এই নতুন শাখাটি।
সাশ্রয়ী মূল্যে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। নিজস্ব ছবি
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে চলতি দামি ব্র্যান্ডেড ওষুধের সঙ্গে গুণগত মানে জেনেরিক ওষুধের কোনও পার্থক্য নেই। একই উপাদান ও কাজের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও এই ওষুধের দাম অনেক কম হয়। ফলে সাধারণ এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসের ওষুধের খরচ অনেকটাই কমে। কেন্দ্রীয় সরকারের মূল লক্ষ্যই হল, দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে সাশ্রয়ী দামে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। জেনেরিক ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা বাড়লে তবেই চিকিৎসা খরচ কমানোর এই উদ্যোগ সাফল্য পাবে।
