সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িত এনআইএ। ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল নেতার জীবনতলার বাড়িতে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু তার আগেই শওকত পালিয়ে যান বলে খবর। পরে যদিও তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লাকে নিয়ে বাড়িতে আসে এনআইএ। সেখানেই এই মুহূর্তে চলছে তল্লাশি। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতার দলীয় কার্যালয়তেও তল্লাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের। পাশাপাশি আরও একটি দল মৌখালিতে ইমরানের সুবিশাল ক্যাফেতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে খবর।
বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূল নেতার জীবনতলার বাড়িতে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু তার আগেই শওকত পালিয়ে যান বলে খবর। পরে যদিও তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লাকে নিয়ে বাড়িতে আসে এনআইএ।
তৃণমূল নেতার বাড়িতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা।
বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের বামুনিয়া এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়। আহত হন আরও বেশ কয়েকজন। সেই ঘটনার তদন্তে সম্প্রতি গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তদন্তের সূত্রে বেশ কিছুদিন আগে আহিদুল ইসলাম নামে এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরেই এদিন এনআইএর একাধিক দল ভাঙড়ে হানা দেয়। একটি দল ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয়-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। আরেকটি দল গিয়েছে বামুনিয়া এলাকায়। যেখানে এই বিস্ফোরণের ঘটে সেই এলাকার একাধিক বাড়িতেও এই মুহূর্তে এনআইএ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে খবর। পাশাপাশি ধৃত তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও তল্লাশি চলছে বলে খবর।
তদন্তকারীদের দাবি, ভোটের আগে এলাকায় ব্যাপক পরিমাণে বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল। ভয় এবং সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই তা মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে অনুমান। এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতেই এই তল্লাশি বলে জানা যাচ্ছে।
