পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনে তারকেশ্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তারকেশ্বর থেকে উদ্বোধন করলেন একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের। রেলের ৩০০ শয্যার হাসপাতাল থেকে ফসল বিমা যোজনা। তালিকায় রয়েছে গ্রামীণ সড়ক যোজনার ৪৯টি রাস্তার ডেভলপমেন্টের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি এখান থেকেই পিএম কিষাণ সম্মাননিধির ২৩ তম কিস্তি দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার-৩ এর অন্তর্গত ৪৯টি রোড ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন। এই প্রকল্পের ৩১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে। তারকেশ্বর থেকে দেশের পিএম কিষাণ সম্মাননিধির অধীনে থাকা ৯.৪৪ কোটির উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছেন। মোট ১৮,৮৮০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন তিনি।
দেশের কৃষকদের জন্য একাধিক প্রকল্প এনেছে ভারত সরকার। তালিকায় রয়েছে ডিজিটাল কৃষি মিশন, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী ধান-ধান্য কৃষি যোজনার মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্প। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জে আধুনিকীকৃত ও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন মৎস্য বন্দর। বীরভূমের সাঁইথিয়ায় নবনির্মিত আধুনিক মৎস্য বাজারের উদ্বোধন করেছেন। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নদিয়ার হরিঘাটায় ছাগল প্রতিপালনের জন্য ল্যাবরেটরি ও সিমেন ব্যাঙ্কের উদ্বোধন করেন। হাওড়ায় রেলের ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট রেলওয়ে ডিভিশনাল হাসপাতাল ও হাউর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের রাধামোহনপুরের মধ্যে ওভারব্রিজের ভিত্তিপস্থর স্থাপন করলেন। হাওড়ার সাঁকরাইল থেকে সাঁতরাগাছি লিঙ্ক লাইন প্রজেক্ট উদ্বোধন করেন।
তারকেশ্বরে রাজ্যপাল আরএন রবি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: কৌশিক দত্ত।
সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার-৩ এর অন্তর্গত ৪৯টি রোড ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন। এই প্রকল্পের ৩১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে। তারকেশ্বর থেকে দেশের পিএম কিষাণ সম্মাননিধির অধীনে থাকা ৯.৪৪ কোটি সুবিধাভুগীদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছেন। মোট ১৮,৮৮০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন তিনি।
এদিন বিকেল চারটের পর প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার তারকেশ্বর নামে। তাঁকে স্বাগত, জানাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কপ্টার থেকে নেমে প্রধানমন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত হন। তাঁকে অভিবাদন জানাতে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা। বন্দে মাতরম গানের মধ্যে দিতে তাঁকে বরণ করা হয়।
সভামঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলার বিখ্যাত রসগোল্লার হাঁড়ি তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও দেওয়া হয় জলভরা সন্দেশ। তারকেশ্বরের মাহাত্ম্য হিসেবে শিবলিঙ্গ- ডোকরার দুর্গামূতি উপহার দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
