বিপ্লবচন্দ্র দত্ত, কৃষ্ণনগর: নদিয়ার হাঁসখালি শুটআউট কাণ্ডে একজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মৃতের পরিবার। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে শনিবার রানাঘাট মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম খালেক মণ্ডল। তাকে শুক্রবার রাতে নদিয়ার রামনগরের বড় চুপড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গিয়েছে, যে চায়ের দোকানে তৃণমূল নেতা গুলিবিদ্ধ হন, তারই মালিক খালেক। শুটআউট কাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে খালেক জড়িত ছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়। শনিবার অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হবে। নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে বলেই আশা তদন্তকারীদের।
[আরও পড়ুন: মহিলাকে সামনে রেখে সোনা পাচারই ‘পারিবারিক পেশা’! হাতেনাতে গ্রেপ্তার বনগাঁর দম্পতি-সহ ৫]
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে খুন হন নদিয়ার হাঁসখালি থানার রামনগর বড় চুপড়িয়ার তৃণমূলের অঞ্চল সহ-সভাপতি আমোদ আলি বিশ্বাস। অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার সকালেও বাজারে যান তৃণমূল নেতা। যে চায়ের দোকানে প্রতিদিন বসেন, সেখানেই ছিলেন। ভাবতে পারেননি পরিচিত ওই জায়গায় এমন বিপদ অপেক্ষা করে রয়েছে। আচমকা চায়ের দোকানের সামনে বাইক নিয়ে হাজির হয় আট থেকে ১০ জন। সকলের মুখ কাপড়ে ঢাকা ছিল। আচমকাই তারা আমোদ আলিকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালাতে থাকে। গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যান তৃণমূল নেতা। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড তা এখনও স্পষ্ট নয়।
