কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! অস্ত্র আইনের পর জাল নোট মামলায় নাম জড়াল বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের। মহেশতলা থানার কালীতলা এলাকায় তৃণমূল পার্টি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের জাল নোট। আরও জাল নোট বাজারে ছড়িয়েছে বলে অনুমান পুলিশের।
মহেশতলা থানার অস্ত্র আইনে মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূলের দিলীপ। তাঁকে জেরা করতেই মিলল জাল নোট চক্রের হদিশ! অভিযোগ ভোটের সময় বিধায়ক ও তাঁর শাগরেদরা অস্ত্র, মদের পাশাপাশি প্রচুর টাকা বিলি করেছেন দুষ্কৃতীদের মধ্যে। দিলীপকে জেরা করতেই সেই তথ্য মেলে।
তারপরই মহেশতলার কালীতলা এলাকার তৃণমূল অফিসে তল্লাশি চালায় পুলিশ। উদ্ধার হয় বিপুল টাকা। খতিয়ে দেখেতেই জানা যায় সেই ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সবটাই জাল নোট। মহেশতলা থানার পুলিশ সেই নোটগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে। হেফাজতেই রয়েছেন দিলীপ। অস্ত্র আইনের পাশাপাশি জাল নোট ধারাও যুক্ত করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আগামিকাল তৃণমূল বিধায়ককে পেশ করা হবে আদালতে।
উল্লেখ্য, অস্ত্র আইনে পুরীর হোটেল থেকে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। পড়শি রাজ্যের পুরীতে একটি হোটেলে গা ঢাকা দিয়ে তিনি ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে হানা দেন তদন্তকারীরা। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দিলীপ মণ্ডলকে কার্যত হুমকি দিতে দেখা যায়। (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেই ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “১৫ বছর ধরে অনেক সংযম দেখিয়েছিলাম। শান্তিতে রেখেছিলাম। কিন্তু আর তা হবে না।” বিজেপিকে প্রকাশ্যে হুমকি দিতেও শোনা যায় তাঁকে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দিলীপের বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর দায়ের হয়। তারপর অস্ত্র আইনে গ্রেপ্তার করা হয়।
