shono
Advertisement
Purba Bardhaman

বিয়ের ৯ মাস পর নাবালিকা বধূূর দেহ উদ্ধার শ্বশুরবাড়িতে, আত্মহত্যা নাকি খুন? বাড়ছে রহস্য

নাবালিকার মামাবাড়ি কাটোয়ার মুস্থুলি গ্রামে। মামার বাড়িতে ঘুরতে এসে মুস্থুলির বাসিন্দা মিঠুন মাজির ছেলে বাণেশ্বর মাজির (১৮) সঙ্গে লাভলির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর পালিয়ে বিয়ে করে তারা।
Published By: Subhankar PatraPosted: 07:17 PM May 29, 2026Updated: 08:32 PM May 29, 2026

বিয়ের নয় মাস পর শ্বশুরবাড়ির থেকে উদ্ধার নাবালিকা বধূর দেহ। ঘর থেকে উদ্ধার গলায় ফাঁস দেওয়া দেহ। প্রাথমিক অনুমান আত্মঘাতী হয়েছে নাবালিকা। কিন্তু কেন? তা নিয়ে ধোঁয়াশা। সে সত্যিই আত্মঘাতী না কি, তাকে খুন করা হয়েছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) কাটোয়ায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।

Advertisement

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নাবালিকার নাম লাভলি সদাগর। বয়স ১৪ বছর। তার বাপের বাড়ি ভাতারের বামশোর গ্রামে। শিশু অবস্থায় মাকে হারায় লাভলি। বাবা মিঠুন সদাগর দিনমজুরের কাজ করেন। নাবালিকার মামাবাড়ি কাটোয়ার মুস্থুলি গ্রামে। মামার বাড়িতে ঘুরতে এসে মুস্থুলির বাসিন্দা মিঠুন মাজির ছেলে বাণেশ্বর মাজির (১৮) সঙ্গে লাভলির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর পালিয়ে বিয়ে করে তারা। প্রথমে বিয়েতে আপত্তি থাকলেও পরে সেই সম্পর্ক মেনে নেয় পরিবার।

বিয়ের পর নাবালিকার স্বামী বাণেশ্বর কাজে যান হায়দরাবাদে। একটি হস্টেলে কাজ করেন তিনি। শ্বশুরবাড়িতেই থাকছিল নাবালিকা। পরিবারের দাবি, এ দিন সকালে অনেকটা সময়ের পরও লাভলি ঘরের বাইরে না আসায় ডাকডাকি শুরু করেন তার শাশুড়ি। কোনও সাড়া না পেয়ে দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকতেই নাবালিকা বধূর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পারেন তাঁরা। লাভলিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান এটি আত্মহত্যার ঘটনা। নাবালিকা আত্মঘাতী হয়ে থাকলে কেন? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। তবে এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement