shono
Advertisement

Breaking News

ঘুটিয়ারি শরিফ চত্বর থেকে গ্রেপ্তার এক রোহিঙ্গা, কীভাবে অনুপ্রবেশ? তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ

ধৃতকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
Posted: 08:36 PM Feb 20, 2021Updated: 08:36 PM Feb 20, 2021

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: বেআইনিভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকার অভিযোগে এক রোহিঙ্গাকে (Rohingya) গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শুক্রবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, ধৃত ওই রোহিঙ্গার নাম এমডি ইদ্রিস। বাড়ি মায়ানমারের বুথিডং এলাকায়।ইদ্রিসের গ্রেপ্তারির ঘটনা থেকেই স্পষ্ট যে মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা এদেশে বেআইনিভাবে প্রতিনিয়ত ঢুকে পড়ছে, এমনই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। ধৃতের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।

Advertisement

গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর ছিল, মায়ানমার থেকে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা এদেশে প্রবেশ করেছে। সেইমতো পুলিশ এইসব রোহিঙ্গাদের খোঁজ শুরু করে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (S 24 PGS) জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারি শরিফ হাসপাতালের চত্বরে এক ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। এই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বারুইপুর জেলা পুলিশ ও এসটিএফ যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়ে এই ব্যক্তিকে জালে এনেছে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পে বেশ কিছুদিন কাটিয়েছে ধৃত ইদ্রিস। তারপর সে বৃহস্পতিবার ভারতে অনুপ্রবেশ করে। কে বা কাদের হাত ধরে এ রাজ্যে অনুপ্রবেশ করল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। শনিবার ধৃত ব্যক্তিকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে ছ’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ধৃত রোহিঙ্গা ব্যক্তি এদেশে কোথায় ঘাঁটি গাড়ছে, তার খোঁজখবরও শুরু হয়েছে।

[আরও পড়ুন: DYFI কর্মী মইদুল জেএমবি জঙ্গি! বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে তোলপাড়]

উল্লেখ্য, বছর দুই আগে ঘুটিয়ারি শরিফের বেশকিছু রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ এর ঘটনা সামনে আসে।বেলেগাছি এলাকায় রোহিঙ্গা কলোনিও তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ নড়েচড়ে বসতেই  রাতের অন্ধকারে গা ঢাকা দেয় সেইসব রোহিঙ্গারা। এরপর থেকে তাদের আর কোনও খোঁজ পায়নি পুলিশ। তবে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ বেশ কিছু রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা ঘুটিয়ারি শরিফে এখনো পর্যন্ত গা ঢাকা দিয়ে আছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গারা ঢুকে পড়ছে এ দেশে। ধৃত ব্যক্তির কাছে এদেশে থাকার কোন রকম বৈধ অনুমতি পত্র পাওয়া যায়নি।এর সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত তাদের ধরার জন্য খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: ফের প্রশাসনের চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার মৃত্যুহার, মহানগরে করোনার বলি ২]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement