আর জি কর কাণ্ডের পর দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করে সাসপেন্ড হতে হয়েছিল রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ ডাঃ শান্তনু সেনকে। ভোটের আগে তাঁর উপর থেকে সাসপেনশন প্রত্যাহার করল তৃণমূল কংগ্রেস। অবিলম্বে শান্তনুর উপর থেকে সাসপেনশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। রবিবারই দলের তরফে শান্তনুর সাসপেনশন প্রত্যাহারের খবরটি জানানো হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সাসপেনশন প্রত্যাহারের ফলে শীঘ্রই শান্তনু সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের পর রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। এই নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন। হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনি সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। আর জি করের ঘটনার কড়া নিন্দা করে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে দল। মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দল থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়। এতদিন তিনি দল থেকে বহিষ্কার ছিলেন। তবে অন্য দলে যোগদান করার সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। রবিবার তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করল তৃণমূল। বিধানসভা নির্বাচের আগে এই সিদ্ধান্তের কারণে স্বস্তিতে শান্তনু। আগামীদিনে তাঁকে নির্বাচনী প্রচারে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এবিষয়ে বলেছেন, "প্রাক্তন সাংসদ ডাঃ শান্তনু সেনের সাসপেনশন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ডাঃ শান্তনু সেন এখন থেকে দলের হয়ে সবরকম কাজ করতে পারবেন।"
