সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগির-সহ ধৃত তিনজনের সিবিআই হেফাজত। সিবিআই এদিন আদালতে জানায়, গত ৫ জানুয়ারি ইডির উপর হামলার সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন আলমগির। বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক তাঁদের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই তিনজনকে ১৪ দিনের হেফাজতে চেয়েছিল।
সিবিআইয়ের তরফে শনিবার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগির, মাফুজার মোল্লা ও সিরাজুল-সহ তিনজনকে তলব করা হয়। ওইদিন নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেন তাঁরা। দীর্ঘ জেরার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। মাফুজার সন্দেশখালি ১ ব্লকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। রবিবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় তিনজনকেই। পাঁচদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি ঠিক কীভাবে ইডির উপর হামলা করা হয়েছিল, সে সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে বলেই আশা তদন্তকারীদের।
[আরও পড়ুন: মহাকাশে নৈশভোজ! গাঁটের কড়ি খসালেই মিলবে সুযোগ, যাবেন নাকি?]
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি, সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার আকুঞ্জপাড়ায় শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হন তিন আধিকারিক। শাহজাহান অনুগামীদের হামলায় ঝরে রক্ত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। সন্দেশখালির শাহজাহানের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। বিঘার পর বিঘা জমি, ভেড়ি দখল এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। দফায় দফায় আগুন জ্বলে সন্দেশখালির বিভিন্ন প্রান্তে।
অশান্তির মাঝে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে গ্রেপ্তার হন শাহজাহান। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এর পর সন্দেশখালি কাণ্ডের তদন্তভার নেয় সিআইডি। শেখ শাহজাহান কার হেফাজতে থাকবে, তা নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বর্তমানে সিবিআই হেফাজতে সন্দেশখালির ‘বাঘ’। হেফাজতে নেওয়ার পর থেকে সিবিআই একাধিকবার সন্দেশখালিতে যায়। শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। শাহজাহান ‘ঘনিষ্ঠ’দের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই শাহজাহানের গাড়িশালারও খোঁজ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
