বালাসন নদীর জলে ভেসে গিয়েছে দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু। একাংশ ভেসে যাওয়ায় ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ। এই মুহূর্তে ওই পথে শিলিগুড়ি-মিরিক সড়ক যোগাযোগ বন্ধ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। গত বছর দুধিয়া সেতুটি জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছিল। ওই এলাকাতেও সেতুর পাশের একটি বিকল্প অস্থায়ী সেতু তৈরি হয়। এবার সেই সেতুটির একাংশ জলের তোড়ে ভেসে গেল। দ্রুত ওই বিকল্প সেতু তৈরি হবে। পূর্ত ও কারিগরী বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের টিম সেখানে রয়েছে। বালাসন নদীর জল কিছু কমলেই অস্থায়ী সেতু তৈরির কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।
আজ, শুক্রবার পূর্ত ও কারিগরী মন্ত্রী অজয় পোদ্দার এই বিষয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুধিয়ার মূল সেতু আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে। ওই সেতুর বদলে একটি বিকল্প সেতু বানানো হয়েছিল। প্রবল বর্ষণের জন্য বিকল্প ওই সেতুর একাংশ ভেসে গিয়েছে। পিডব্লুডির পুরো টিম ওখানে রেডি আছে সব যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম নিয়ে সেখানে রেডি আছে। বালাসন নদীর জলতল কিছুটা কমলেই দ্রুত অস্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এই মুহূর্তে প্রবল বর্ষণে দার্জিলিংয়ের বহু এলাকা বিপর্যস্ত। একাধিক রাস্তায় ধস নেমেছে।
প্রবল স্রোত বালাসন নদীতে। নিজস্ব চিত্র
দার্জিলিংয়ের দুধিয়া সেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিলিগুড়ি থেকে মিরিক সহজে যাওয়ার জন্য এই পথ ব্যবহার হয়। দুধিয়া সেতু গত বছর ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তৃণমূল আমলে ওই অস্থায়ী সেতু বানানো হয়। মূল সেতু নির্মাণের কাজও চলছে। এরই মধ্যে প্রবল বৃষ্টিতে ধসে গেল দুধিয়ার ওই অস্থায়ী সেতু। বৃষ্টি আরও বাড়লে হড়পা বান আসার আশঙ্কাও থাকছে। পাহাড়ে অতি বৃষ্টি হলে ভুটান থেকে জল ঢুকবে বাংলায়। সেক্ষেত্রে পাহাড়ের নদীগুলিতে জলের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে রুদ্ররূপ হওয়ার আশঙ্কা থাকছে শিলিগুড়িতে।
