এসআইআরের শুনানিতে হিয়ারিং প্রক্রিয়া শেষ হল নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen)। আজ, শুক্রবার হিয়ারিং ছিল। তবে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে বলে খবর। কী কী নথি চাওয়া হল নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের পরিবারের সদস্যদের থেকে?
বাংলায় এসআইআরের শুনানি প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিদিন শুনানি প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অসুস্থ, বয়স্ক মানুষদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, এসআইআর আতঙ্কে একাধিক মানুষের প্রাণহানির অভিযোগও সামনে আসছে। এসআইআরের শুনানিতে ডাক পড়েছে বাংলার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের। কবি জয় গোস্বামী থেকে সাংসদ, অভিনেতা দেবও আছেন সেই তালিকায়। জানা যায়, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও ডাকা হয়েছে এসআইআরের শুনানিতে। পৃথিবীর মানুষের কাছে পরিচিত নাম, বাঙালি জাতির গর্ব অমর্ত্য সেন কেন ডাক পেলেন? কেন এই প্রবীণ শুনানির কাগজ পেলেন? সেই প্রশ্ন উঠেছিল। ঘটনা জানাজানি হতে ক্ষোভ ছড়িয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বের মধ্যে। প্রবল ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন অমর্ত্য সেনের শুনানির প্রক্রিয়া হয় বলে খবর। অমর্ত্য সেনের শুভাকাঙ্খী শান্তিনিকেতনের প্রতীচী বাড়ির দায়িত্বে থাকা গীতিকণ্ঠ মজুমদার এবং তাঁর মামাতো ভাই শান্তভানু সেন শুনানিতে ছিলেন। তাঁদের কাছে নোবেলজয়ীর পাসপোর্টের ফটোকপি, তাঁর মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট এবং অমর্ত্য সেনের আধার কার্ড চাওয়া হয়। সেগুলির ফটোকপি জমা দেওয়া হয়।
অমর্ত্য সেনকে ভারতরত্ন সম্মান দেওয়া হয়েছিল। ভারতরত্ন প্রাপ্তির নথি লাগবে? এসআইআর শুনানিতে কমিশনের আধিকারিকদের প্রশ্ন প্রতীচী ট্রাস্টের সদস্যদের। শুক্রবার শান্তিনিকেতনের প্রতীচী বাড়িতে এসআইআর স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন শুনানিতে কমিশনের প্রতিনিধিদের সামনে অধ্যাপক সেনের যাবতীয় নথি তুলে দেন প্রতীচী ট্রাস্টের সদস্যরা। গীতিকণ্ঠ মজুমদার বলেন, “আমরা ওঁর পাসপোর্ট-আধার কার্ড-মায়ের মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েছে।”
কমিশনের হয়ে এদিন উপস্থিত ছিলেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এইআরও তানিয়া রায়, বুথ লেভেল অফিসার বিএলও সোমব্রত মুখোপাধ্যায় এবং আধিকারিক সন্দীপন চক্রবর্তী।
