জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি এলাকায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড। দশম শ্রেণির পড়ুয়ার হাতে খুন মা। ঘটনায় গুরুতর আহত বাবা-সহ তিনজন। ঘটনার পর আত্মহত্যার চেষ্টাও অভিযুক্তের। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে গাদং ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জুরাপানি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে কি কারণে এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে গাদং ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জুরাপানি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী।
পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় একটি স্কুলে ক্লাস ১০ এর পড়ুয়া ওই অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধেই নিজের মা-সহ পরিবারের ৪ জন সদস্যের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তার মায়ের, গুরুতর জখম হয়েছেন বাবা-সহ আরও তিনজন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ অভিযুক্ত রণিত সরকার আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিবারের সদস্যদের উপর চড়াও হয়। প্রথমে তার মা দীপালী সরকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় সে। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বাবা নেপাল সরকারকেও এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে অভিযুক্ত। পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার পর অভিযুক্ত রণিত সরকার নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলেও জানা গিয়েছে। তাকে পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বর্তমানে পুলিশি নজরদারিতে তার চিকিৎসা চলছে। কেনও কী কারনে এই ঘটনা স্পষ্ট নয়। কোনও অশান্তি থেকে এই ঘটনা কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে স্থানীয় মানুষজন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
