পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থেকে দুই পাক চর গ্রেপ্তার। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর চর গৌতম খাড়া ও শেখ মুসালিনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃত গৌতম খাড়া ফোনের সিম কার্ড বিক্রেতা বলে জানা গিয়েছে। মুরসালিনকে প্রি অ্যাকটিভ সিম কার্ডের নম্বর সরবরাহ করত এই গৌতমই। সেই সিম আইএসআই হ্যান্ডলারদের কাছে পৌঁছে দিত মুরসালিন।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই চক্রের শিকড় আরও গভীরে বিস্তৃত। এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, সে বিষয়ে জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কীভাবে চলত পাকিস্তানে তথ্য চালান?
কোনও ক্রেতা যদি সিম কার্ড তোলার জন্য মোবাইলের দোকানে নিজের নথি জমা দিতেন, সেই নথি ইস্যু করে অন্য সিম তোলা হত। সিম কার্ডগুলির যাবতীয় ডিটেলস পাকিস্তানি চরকে দিত গৌতম। তারপর সেই নম্বর দিয়ে হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্ট খোলা হত পাকিস্তানে। ভারতের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাচার হত এভাবেই।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অনেকদিন ধরেই জাল বিছিয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা। শুক্রবার অবশেষে দুই পাক চরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃতদের আপাতত জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই চক্রের শিকড় আরও গভীরে বিস্তৃত। এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, সে বিষয়ে জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই সিম কার্ডগুলি ব্যবহার করে দেশের কোন কোন তথ্য পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পাচার করা হয়েছে, তাও বিশদে জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
