shono
Advertisement
Howrah

'মার্ডার করে দিয়েছি, নিয়ে যা', বিজেপি কর্মীকে খুনের পর পরিবারকে ফোনে জানাল খুনি!

খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
Published By: Jaba SenPosted: 12:17 PM Jun 18, 2026Updated: 02:43 PM Jun 18, 2026

পালাবদলের পর বিজেপি কর্মীদের উপর একের পর এক হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই আবহে এবার হাওড়ায় (Howrah) বিজেপির এক কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার গভীর রাতে বাগনানের সন্তোষপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খুনের পর ওই বিজেপি কর্মীর পরিবারকে ফোনে এক অভিযুক্ত জানান, "মার্ডার করে দিয়েছি। তুলে নিয়ে যা।" খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement

মৃত বিজেপি কর্মীর নাম প্রশান্ত দে (৩৯)। তিনি বাগনান ৫ নম্বর মণ্ডলের ১৯৭ নম্বর বুথের সহ-সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি বাঁটুল গ্রামে। জানা গিয়েছে, গতকাল রাত সাড়ে ৮টা ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন প্রশান্ত। তারপর অন্য বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বাগনানের সন্তোষপুরে যান। বিজেপির দাবি, একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় প্রশান্ত দে'র। গুরুতর জখম হন অন্য তিনজন বিজেপি কর্মী। জখমদের রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় বাগনান গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁদের কলকাতার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। 

বিজেপির অভিযোগ, বাগনানের ওই এলাকাতেই হাল্লান গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মফিজুলের বাড়ি। ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময়ই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলে। অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরাই উপপ্রধানের বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন। এসপি অমিত ভার্মা জানিয়েছেন, এই হামলার ঘটনায় ৫ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে শ্যামপুর-বাগনান রাস্তার বাঁটুল এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement