'ধুরন্ধর' ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটি ভাগই দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসিত। 'প্রোপাগন্ডা' ছবির তকমা লাগলেও টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ চিত্রনাট্য একেবারে চেটেপুটে উপভোগ করেছে সিনেপ্রেমীরা। একদিকে যখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও 'ধুরন্ধর' দাপিয়ে রাজত্ব করছে সেসময় শত্রুদেশ পাকিস্তানের দাবি, শাসকদলের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই তৈরি হয়েছে চিত্রনাট্য। শুধু তাই নয়, খোদ প্রধামন্ত্রীর দপ্তর থেকে চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে। চর্চার মাঝে এবার নীরবতা ভাঙলেন পর্দার 'জামিল জামালি' রাকেশ বেদি। যিনি পাকভূমিতে ভারতীয় এজেন্টের চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া ফেলেছেন।
ধুরন্ধর স্ক্রিপ্টের সঙ্গে মোদীর সত্যিই সংযোগ ছিল নাকি এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা? কী বলছেন রাকেশ?১৭ জু বুধবার, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'অমৃত রত্ন ২০২৬' সামিট। সেখানেই 'ধুরন্ধর' নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দাবিগুলো খারিজ করে দেন অভিনেতা। এই মর্মে রাকেশ বেদীর সংযোজন, "যখন ছবিটা হিট হল, তখন বেশ কিছু লোক বলতে শুরু করলেন ধুরন্ধরের স্ক্রিপ্ট প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা অনুপ্রাণিত। উনিই নাকি স্ক্রিপ্ট লিখে দিয়েছেন। আমি বললাম, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এমন কোনও ব্যক্তি আছেন যিনি এই ধরনের লাইন লিখতে পারেন? এমন কিছু ভাবতেও পারবেন না।"
'ধুরন্ধর ২'
কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই সকলের কাছে বিশেষ পরিচিত রাকেশ বেদি। তাই গুরুগম্ভীর ছবিতেও হাসির উপাদানের খোঁজ করেন। তাই পরিচালক আদিত্য ধরকে একটু হাস্যরস যোগ করার আর্জি জানিয়েছিলেন। স্পাই থ্রিলারের সঙ্গে হাস্যরস যোগ করার বিষয়ে প্রথমে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না আদিত্য। কিন্তু, রাকেশের অনুরোধ মানতেই হাস্যরসাত্মক দৃশ্যগুলো দর্শকমহলে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পরে পরিচালক স্বয়ং সেই দৃশ্য উপভোগ করেছেন।
নীরবতা ভাঙলেন রাকেশ
ধুঁয়াধার অ্যাকশন আর থ্রিলারে ভরপুর 'ধুরন্ধর'-এর দুটি ভাগই। 'ধুরন্ধর'-এর চিত্রনাট্য প্রসঙ্গে রাকেশের সংযোজন, "আমি যখন দু’তিন বার চিত্রনাট্য পড়েছিলাম তখনই বুঝেছিলাম এই ছবিতে শুধুই টানটান উত্তেজনাই নেই, বরং অন্তর্নিহিত একটি গল্পও রয়েছে।"
'ধুরন্ধর ২' স্ক্রিপ্ট মোদির অনুপ্রেরণায় তৈরি!
প্রসঙ্গত, নোটবন্দিসহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন বক্তৃতার অংশও সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে এই ছবিতে। সুকৌশলে বিভিন্ন সংলাপের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পাকিস্তানবিরোধী বার্তার অভিযোগও উঠেছিল। সিনেমার রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলিউডের গ্রীক গড হৃতিক রোশন।
