সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনার জেরে রবিবার ন্যাজাটে যান তৃণমূলের ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল। নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। তাঁদের পাশা থাকার আশ্বাস দেন। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ক্ষমতা দখলের লোভে আক্রমণাত্মক আচরণ করছে বিজেপি।
[আরও পড়ুন: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গ্রামেই নিহতদের সৎকারের সিদ্ধান্ত, কাল ১২ঘণ্টা বসিরহাট বনধ]
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। এদিন বিকেলে সন্দেশখালি ন্যাজাট থানার হাটগাছি এলাকায় পতাকা খোলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল-বিজেপি। দু’পক্ষের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ১ তৃণমূল কর্মী ও দুই বিজেপি কর্মীর। রাতেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিজেপির দাবি, নিখোঁজ আরও এক কর্মী। পাশপাশি তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, তাঁদেরও বেশ কয়েকজন কর্মী নিখোঁজ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ন্যাজাট। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা।
[আরও পড়ুন: রাজনৈতিক সংঘর্ষে তপ্ত বসিরহাটে বিজেপি প্রতিনিধিদল, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ]
রবিবার সকালে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সন্দেশখালি যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মদন মিত্র-সহ তৃণমূলের ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল। কায়ুম মোল্লার মায়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তাঁরা। নিহতের মায়ের অভিযোগ, দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসুই ঘটনার জন্য দায়ী। তাঁদের উসকানিতেই খুন করা হয়েছে কায়ুমকে। সন্দেশখালির ঘটনা প্রসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপি রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে। মানুষ টের পাচ্ছেন তাঁরা কোন দলকে রাজ্যে নিয়ে এসেছেন।” এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তিনি বলেন, “শেখ শাহাজাহান ঘটনার সঙ্গে জড়িত।” যদিও মুকুল রায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে খোদ শাহাজাহান। তিনি বলেন, গোটা ঘটনা ঘটেছে মুকুল রায় ও সায়ন্তন বসুর উসকানিতে। তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। এমনকী ওই এলাকা ভালভাবে চেনা নেই। এমনটাই দাবি করেন শাহজাহান।
The post ‘ক্ষমতা দখলের লোভে আক্রমণাত্মক বিজেপি’, ন্যাজাটের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের appeared first on Sangbad Pratidin.
