এনআইএ মামলায় শুক্রবারই জামিন মঞ্জুর হয় তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলির। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিলেন তাঁর স্ত্রী প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। পুলিশের মামলায় তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে আদালত। তবে এমপি-এমএলএ আদালতে হাজিরা দিতে হবে অপরূপাকে। অন্যদিকে তদন্তের প্রয়োজনে ফের অপরূপাকে নোটিস পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। ফলে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর হলেও এখনই যে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ স্বস্তি পাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট।
চন্দননগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব বলেন, ''ঘটনার দিন কারা কারা ছিলেন তাঁর সঙ্গে, তথ্য জানতে তলব করা হয়েছিল। প্রয়োজনে ফের ডাকা হতে পারে।''
২০২৩ সালে রামনবমীর দিন এক বড় অশান্তি মামলায় রিষড়া পুরসভার কাউন্সিলর সাকির আলির নাম জড়ায়। ঘটনায় মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। সাকিরকে গ্রেপ্তারের সময়ে পুলিশের কাছে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতার স্ত্রী অপরূপার বিরুদ্ধে। এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে তলব করে পুলিশ। তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা এড়ান অপরূপা। যদিও শুক্রবার শ্রীরামপুর থানায় হাজিরা দেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওইদিনই সাকির আলির জামিন মঞ্জুর করে এনআইএ আদালত। এরপরেই আজ, শনিবার অপরূপা শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে হাজিরা দেন। শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে আদালত। তবে ৩০ সেপ্টেম্বর ময়ূখ ভবনে প্রাক্তন সাংসদকে হাজিরা দিতে হবে।
তবে এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করতে চাননি অপরূপা পোদ্দার। তবে তাঁর আইনজীবী জয়দীপ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সল্টলেকের ময়ূখ ভবনে সাংসদ-বিধায়কদের জন্য যে বিশেষ আদালত আছে সেই আদালতে হাজিরা দেবেন অপরূপা পোদ্দার। তবে খুব শীঘ্রই অপরূপাকে ফের পুলিশ তলব করতে পারে বলে খবর।
চন্দননগর পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব বলেন, ''ঘটনার দিন কারা কারা ছিলেন তাঁর সঙ্গে, তথ্য জানতে তলব করা হয়েছিল। প্রয়োজনে ফের ডাকা হতে পারে।'' পুলিশ কর্তার কথায়, নোটিস দেওয়া হতে পারে। তবে কবে সে বিষয় স্পষ্ট করেননি। এই প্রসঙ্গে অপরূপার আইনজীবীর পালটা দাবি, পুলিশ পুলিশের কাজ করবে, আমরা আইনের কাজ করব।
