shono
Advertisement
Bankura

তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের উঠোনে আগুন, দুর্নীতির অভিযোগে বাড়ি ভাঙচুর ক্রুদ্ধ জনতার

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন, আবাস যোজনা, রাস্তা নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।
Published By: Arpita MondalPosted: 04:35 PM Jun 19, 2026Updated: 05:35 PM Jun 19, 2026

বাড়ির সদর গেট ভাঙার চেষ্টা। তারপর তালা ভাঙতে পরপর শাবলের কোপ। বাঁকুড়ার (Bankura) ঘুটগোড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গণেশ মণ্ডলের বাড়িতে ব্যাপক তাণ্ডব ক্ষিপ্ত জনতার। তালা ভেঙে বাড়িতে উঠোন ঢুকে পড়ে ক্ষিপ্ত জনতা। বাড়ি লক্ষ্য করে চলে পরপর ইট। গোটা বাগান কার্যত ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। তারপর উঠোন আগুন জ্বালিয়ে চলে তুমুল বিক্ষোভ।স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল ১০ নাগাদ পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির সামনে এলাকাবাসীরা জমায়েত করা শুরু করে। এরপর আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কাচের দরজা, জানলা লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের সামনেই এই ভাঙচুর চলে বলে দাবি।

Advertisement

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন, আবাস যোজনা, রাস্তা নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের দাবি।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন, আবাস যোজনা, রাস্তা নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের দাবি। রাজনৈতিক মহলে গণেশ মণ্ডল প্রাক্তন বিধায়ক অলক মুখোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। ফলে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, পঞ্চায়েত পরিচালনা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল। অন্যদিকে প্রধানের অনুগামীদের দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা।

ঘুটগোড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গণেশ মণ্ডল বলেন, "কিছু মানুষ আচমকা বাড়িতে এসে হামলা চালায়। বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি মানুষের প্রতিনিধি। কোনও সমস্যা থাকলে আলোচনা হতে পারত। কিন্তু এভাবে বাড়িতে হামলা চালানো সম্পূর্ণ বেআইনি। আমি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।" পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কারা ভাঙচুরে জড়িত ছিল এবং ঘটনার পিছনে প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement