shono
Advertisement
Durgapur

দুর্গাপুরের কারখানায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ফুটন্ত তরল লোহায় ঝলসে মৃত্যু শ্রমিকের!

ঘটনায় জখম আরও সাতজন।
Published By: Suhrid DasPosted: 01:51 PM Aug 20, 2025Updated: 01:56 PM Aug 20, 2025

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: রাতের শিফটে স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় কাজ চলছিল শ্রমিকদের। সেসময় গরম ল্যাডেলের ফুটন্ত লোহা ছিটকে ঝলসে গেল এক শ্রমিক। ঘটনায় জখম আরও পাঁচজন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপুরে। মৃত শ্রমিকের নাম নবীন কুমার (২৭)। কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

পুলিশ ও কারখানা সূত্রে খবর, গতকাল রাতের শিফটে কর্মীরা কাজ করছিলেন। গরম স্ল্যাগ ভর্তি ল্যাডেলের কাছেই কাজ করছিলেন নবীন কুমার। আচমকাই ওই স্ল্যাগ ছিটকে তাঁর উপর পড়ে। নিমেষে ঝলসে যান তিনি। আশপাশে আরও শ্রমিক ছিলেন। সেই স্ল্যাগ ছিটকে জখম হন আরও পাঁচ শ্রমিক। আতঙ্ক ছড়ায় অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে। জখম শ্রমিকদের উদ্ধার করে বিধাননগরের একটি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা চিকিৎসাধীন আছেন। নবীন কুমারকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কিন্তু কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? শ্রমিকদের কি কাজের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল? সেসব প্রশ্ন উঠেছে। দুর্ঘটনার কথা শুনেই ঘটনাস্থলে যান তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের দুর্গাপুরের কোর কমিটির নেতারা। মৃত যুবক বিহারের বাসিন্দা। মৃতের পরিবারের সদস্যদের দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে। মৃতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। শ্রমিক সংগঠনের কোর কমিটির সদস্য বান্টি সিং বলেন,"একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। মৃত শ্রমিকের পরিবার যাতে সঠিক ক্ষতিপূরণ পায় এবং পরিবারের একজন চাকরি পায় সেই ব্যবস্থা করব। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তার দাবি করব।" ঘটনা নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • রাতের শিফটে স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় কাজ চলছিল শ্রমিকদের।
  • সেসময় গরম ল্যাডেল ছিটকে ঝলসে গেল এক শ্রমিক।
  • কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement