দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। দুর্নীতি ইস্যুতে অপরাধী যে-ই হোন না কেন, শাস্তি হবে। এই কথা একাধিকবার জানিয়েছেন তিনি। বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানার রামপুর চেকপোস্টে বেআইনি তোলাবাজি ও ঘুষ কাণ্ড ইস্যু সামনে আসতেই ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেই মতো দুই সরকারি আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার তাঁদের গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানার রামপুর চেকপোস্টে বেআইনি তোলাবাজি ও ঘুষ কাণ্ডে দুই সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনা সামনে আসতে দু'জনকেই বরখাস্ত করা হয়। দুই আধিকারিকই গা ঢাকা দিয়েছিলেন। ঝাড়গ্রামের গোপন এক ডেরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের। ধৃতদের নাম নাজিমুল হক এবং অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা শাখা তাঁদের গ্রেপ্তার করে। এদিনই ধৃত দু’জনকে আসানসোল আদালতে পেশ করা হয়।
বিষয়টা ঠিক কী? এক্স হ্যান্ডেলে কী জানিয়েছিলেন শুভেন্দু? তিনি লেখেন, ‘পণ্যবাহী একটি ট্রাক সার্ভিসিংয়ের পর গ্যারেজে ফিরছিল (মালিক-দীপক সিং, চালক-শিব যাদব)। ফেরার পথে পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্টে আধিকারিকরা সেটিকে অন্যায়ভাবে আটকান। চালককে বেআইনিভাবে হেনস্থা করা হয় এবং ঘুষের জন্য চাপ দেওয়া হয়। ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং রাজ্য সরকার কর্তৃক আগেই বাতিল করা হয়েছে এমন একটি কর বাবদ ২২,০০০ টাকা বেআইনিভাবে দাবি করা হয়। বিষয়টি জানামাত্রই পদক্ষেপ করে সরকার।’
শুভেন্দু জানিয়েছেন, তোলাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দু’জনের বিরুদ্ধে পরিবহণ দপ্তর দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রামপুর চেকপোস্টে কর্মরত অভিযুক্ত মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর নাজিমুল হক এবং অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়কে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিস্তারিত ফৌজদারি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের জন্য অভিযোগগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অ্যান্টি-কোরাপশন ব্যুরো’-র কাছে পাঠানো হয়েছে।
