কলকাতা, হাওড়ার পর এবার দুর্গাপুরেও বাড়ল ওয়ার্ডের সংখ্যা। দুর্গাপুর নগর নিগমে ওয়ার্ড সংখ্যা ৪৩ থেকে বেড়ে হচ্ছে ৫৩। রাজ্যের পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরের তরফে এমনটাই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা, হাওড়ায় ওয়ার্ড পুর্নবিন্যাসের পথে হেঁটেছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। বিশেষ সংশোধনী বিলও পাশ হয়েছে। সেই অনুযায়ী হাওড়া এবং কলকাতা পুর এলাকায় বাড়ছে ওয়ার্ডের সংখ্যা। এবার দুর্গাপুর নগর নিগমেও বাড়ল ওয়ার্ডের সংখ্যা।
বিধায়কের কথায়, চার বছর ধরে কোনও ভোট হয়নি। পরিষেবা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। নতুন ওয়ার্ড তৈরি হওয়ার মানুষকে আরও দ্রুত পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর গত ৩১ অগস্ট এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে। জারি হওয়া সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে দুর্গাপুরের জন্য ৫৩টি ওয়ার্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। জনসংখ্যা, জনঘনত্ব, ভৌগোলিক পরিস্থিতি, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং আর্থিক বিষয় বিবেচনা করেই ওয়ার্ডের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এতদিন দুর্গাপুর নগর নিগমে ওয়ার্ড সংখ্যা ছিল ৪৩। নতুন নির্দেশিকায় তা ৫৩ টি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, দুর্গাপুর নগর নিগমে নতুন করে ১০টি ওয়ার্ড যুক্ত হচ্ছে। দুর্গাপুজোর পরেই রাজ্যের পুরনির্বাচন চায় বিজেপি সরকার। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন। চলছে প্রস্তুতিও। ভোটের আগে রাজ্য সরকারেরের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে দুর্গাপুরের মানুষ। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে সরকারি নির্দেশিকার প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক, দুর্গাপুর নগর নিগমের কমিশনার-সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের কাছে। উল্লেখ্য, একই নির্দেশিকায় শিলিগুড়ি পুরনিগমের জন্য ৬৩টি ওয়ার্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, দুর্গাপুর নগর নিগমকে বাড়ানো হবে। এবং ঢেলে সাজানো হবে। বিধায়কের কথায়, চার বছর ধরে কোনও ভোট হয়নি। পরিষেবা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। নতুন ওয়ার্ড তৈরি হওয়ার মানুষকে আরও দ্রুত পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
