যোগদানের কয়েকমাসের মধ্যেই বিজেপিতে মোহভঙ্গ হয়েছিল। এবার ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসের (Dipendu Biswas)। এছাড়া বসিরহাট ১ নম্বর ব্লক কংগ্রেস সভাপতি কাদের সর্দার এবং বসিরহাট পৌরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান পার্থসারথি বসু-সহ একাধিক নেতৃত্ব শাসক শিবিরে যোগ দেন। বিধানসভা ভোটের মুখে প্রত্যাবর্তন এবং যোগদান যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বসিরহাটে শাসক শিবিরের আরও শক্তিবৃদ্ধি হল সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসের। এছাড়া বসিরহাট ১ নম্বর ব্লক কংগ্রেস সভাপতি কাদের সর্দার এবং বসিরহাট পৌরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান পার্থসারথি বসু-সহ একাধিক নেতৃত্ব শাসক শিবিরে যোগ দেন।
দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দেয় তৃণমূল। বসিরহাট দক্ষিণ আসনে জয়লাভও করেন তিনি। কিন্তু একুশের ভোটে ঘাসফুল শিবির আর তাঁর উপর ভরসা করেনি। ফলে লড়াইয়ের সুযোগও দেয়নি। এতেই ক্ষুব্ধ দীপেন্দু জার্সি বদলে পদ্ম শিবিরে যোগ দেন। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। গেরুয়া শিবিরও টিকিট দেয়নি তাঁকে। তবে তাঁকে দলের রাজ্য কমিটির স্থায়ী সদস্য করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও মাত্র কয়েকমাসের মধ্যেই বিজেপি ছাড়েন দীপেন্দু। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও রাজ্যদপ্তরে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। এবার সেই দীপেন্দুই ফিরলেন তৃণমূলে।
তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন দীপেন্দু। শাসক শিবিরে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি বলেন, "অনেক লড়াই করে ফুটবলার দীপেন্দু হয়েছেন। তাই লড়াই আমার সবসময়ের সঙ্গী।" কেন ফের তৃণমূলে ফেরা, তা-ও জানিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি বলেন,"মুখ্যমন্ত্রী বসিরহাটে যেভাবে উন্নয়ন করছেন, তার সাথী হতেই তৃণমূলে ফেরা।" বিধানসভা ভোটে ফের কি প্রার্থী হবেন বসিরহাটের ভূমিপুত্র দীপেন্দু, স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়ে নানা মহলে চলছে জোর জল্পনা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, "দল যে দায়িত্ব দেবে তা পালন করব।" এদিকে, শনিবারই শাসক শিবিরে যোগ দেন একদা বাম যুব নেতা প্রতীক উর রহমান। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলার দলীয় কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পতাকা নেন তিনি।
