shono
Advertisement
Ashoknagar

সন্দেহজনক গতিবিধি, গ্রাফিক্স তৈরির অফিসে হানা দিতেই ফাঁস কেলেঙ্কারি! গ্রেপ্তার একাধিক

পুলিশের দাবি, গত তিন-চার মাস ধরে ওই অফিসের কর্মীদের গতিবিধি সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। চক্রে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Published By: Kousik SinhaPosted: 08:13 PM Mar 14, 2026Updated: 08:55 PM Mar 14, 2026

গ্রাফিক্স অফিসের আড়ালে কল সেন্টার চালিয়ে প্রতারণার অভিযোগ! সেই সূত্রেই অশোকনগরে (Ashoknagar) হানা দিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করল বারাসত সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে অশোকনগর থানার চৌরঙ্গী এলাকার সাই কমপ্লেক্সে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখান থেকে মোট ১৭ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ জেরাপর্বে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে। এরপরেই তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত তিনজনকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। কীভাবে কল সেন্টারের আড়ালে পুরো কেলেঙ্কারি চলত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

ধৃত তিনজনের নাম সৈকত দাস গুপ্ত (বরানগর), শান্তনু পাল (টিটাগড়) ও বিশ্বজিৎ রায় (কল্যাণী)। অভিযানে ওই অফিস থেকে দু’টি ল্যাপটপ, একটি হার্ডডিস্ক, প্রায় ১০টি মোবাইল ফোন এবং একাধিক এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পরে অফিসটি সিল করে নোটিস টাঙিয়ে দেওয়া হয়। 

ওই বহুতল মালিকের ভাই সন্দীপ পালের দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে দানিশ কুরেশি নামে এক ব্যক্তি গ্রাফিক্সের কাজের জন্য অফিসটি ভাড়া নেন। প্রথমদিকে সেই কাজ চললেও কয়েক মাস আগে আবার অফিস চালু হয়। কিন্তু গাফিক্সের কাজের আড়ালে কল সেন্টার খুলে প্রতারণা চক্র কীভাবে? উঠছে প্রশ্ন। যদিও এই বিষয়ে পুলিশের দাবি, গত তিন-চার মাস ধরে ওই অফিসের কর্মীদের গতিবিধি সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। চক্রে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, এই চক্র ভিন রাজ্যেও ছড়িয়ে রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement