নদিয়ার সরকারি হাসপাতালের নার্সকে গুলি করে খুন স্বামীর, নেপথ্যে দাম্পত্য কলহ?

01:06 PM Sep 18, 2020 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিনের অশান্তির জেরে স্ত্রীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জে। স্রেফ দাম্পত্য কলহের কারণেই এই চরম সিদ্ধান্ত? নাকি পিছনে লুকিয়ে অন্য কোনও কারণ, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার স্বর্ণখালি গ্রামের বাসিন্দা মৃত স্বপ্না বিশ্বাস পেশায় সরকারি হাসপাতালের নার্স (Nurse) ছিলেন। কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালের অধীন জয়ঘাটা সাব সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় বাড়িতেই ছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর ঘর থেকে গুলির শব্দ পান প্রতিবেশীরা। ছুটে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মেঝেয় পড়ে রয়েছেন স্বপ্নাদেবী। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক হাসপাতালে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয় কৃ্ষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে (Krishnanagar Sadar District Hospital)। রোগীর প্রাণ বাঁচাতে তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচার শুরু করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। অস্ত্রোপচার চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই নার্সের। এরপরই দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ।

[আরও পড়ুন: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় ফের করোনা আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কলকাতার মৃত্যুর হার]

কিন্তু ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পুলিশ অন্ধকারে ছিল যে, কে গুলি করল স্বপ্নাদেবীকে। কারণই বা কী। সেই রহস্যভেদ করতেই মৃতার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তখনই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মৃতার দেওর ছত্রপতি মণ্ডল জানান, তাঁর মামাতো দাদা অর্থাৎ স্বপ্নাদেবীর স্বামী জয়দেবই গুলি করেছে তাঁকে। ছত্রধরের কথায়, “নিত্য দাদা-বৌদির মধ্যে অশান্তি হত।” প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অশান্তির কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে খুনের ছক কষছিল অভিযুক্ত জয়দেব। সেই মতো জোগাড় করেছিল আগ্নেয়াস্ত্র। সূত্রের খবর, ঘটনার পর থেকেই পলাতক জয়দেব। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: ‘বিচার না দিয়ে ধর্ষিতাদের রেট বেঁধে দিচ্ছে সরকার’, তৃণমূলকে নজিরবিহীন তোপ অগ্নিমিত্রার]

The post নদিয়ার সরকারি হাসপাতালের নার্সকে গুলি করে খুন স্বামীর, নেপথ্যে দাম্পত্য কলহ? appeared first on Sangbad Pratidin.

Advertisement
Next