স্টাফ রিপোর্টার: বছর ঘুরে গেল। অথচ শীতের দেখা নেই। কবে যে একটু শীতের দেখা মিলবে? এই প্রশ্নই এখন ফিরছে শহরবাসীর মুখে। উত্তর দিলেন আলিপুরের হাওয়া অফিসের কর্তারা। তাঁদের মতে নতুন বছরে আবার শক্তিসঞ্চয় করে দক্ষিণবঙ্গে কামড় বসাবে জানুয়ারির শীত। বাংলাদেশের উপর থাকা ঘূর্ণাবর্ত সরে গেলেই আবার স্বমূর্তি ধারণ করবে।
[বিলের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, রোগীদের ভোগান্তি]
বছরের প্রথম দিনই শীত চুরি করে নিয়েছিল ঘূর্ণাবর্ত। অবশ্য উষ্ণতাকে নিয়েই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে হবে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনায় রীতিমতো হতাশ সকলে। সোমবার আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের দু’ডিগ্রি বেশি। তবে উত্তুরে হাওয়ার দাপট না থাকায় কনকনে শীতের আমেজ উধাও। তাই হালকা জামা গায়ে মন খারাপ নিয়েই অফিসপাড়ায় ভিড় জমিয়েছিলেন মানুষ। আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাস জানান, “সোমবার বিকেলের পর থেকে আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করবে। বুধবার থেকে নামবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা।”
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের উপর ঘূর্ণাবর্তের জেরে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য বেড়ে গিয়েছে। আসলে শীত নির্ভর করে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা বাতাসের উপর। কিন্তু গত কয়েকদিনে সে বাতাস জোরালো নয়। বাতাসের গতি যেমন কম, ঠান্ডাও নয় তেমন। এর মধ্যে অবশ্য মেঘ কেটে আকাশ পরিষ্কার হয়েছে। ফলে চড়া হয়েছে রোদ। সব মিলিয়ে বেলা বাড়তেই উধাও হয়ে যাচ্ছে ঠান্ডা অনুভূতি। প্রায় একই পরিস্থিতি জেলাতেও। ডিসেম্বরে একদিনও শৈত্যপ্রবাহ থাবা বসায়নি কোনও জেলায়। পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা শহরের থেকে কম বটে, কিন্তু জেলার নিরিখে নয়।
[মিনারেল ওয়াটারের নামে সাধারণ জল, অসাধু চক্রের পর্দাফাঁস]
নতুন বছরে শীত বেশ পুরোদমেই ব্যাটিং করবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দপ্তর। নিম্নচাপের দেখা না মেলায় স্থায়ী হবে ঠান্ডা। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে বলে জানা গিয়েছে। তবে খাতায়-কলমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিশেষ না কমলেও ঠান্ডা হাওয়ার শিরশিরানি উপভোগ করা যাবে বলে জানা গিয়েছে।
[যাদবপুরে শোরগোল, তান্ত্রিকের নাম করে গয়না ও নগদ টাকা লুট]
The post ঘূর্ণাবর্ত সরলেই চেনা মেজাজে ফিরবে শীত, কিন্তু কবে? appeared first on Sangbad Pratidin.
