সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ন’টি সংগঠনের ডাকে চলছে দু’দিনের ব্যাংক ধর্মঘট৷ ব্যাংক কর্মীদের বেতন আরও বাড়ানো-সহ বেশ কয়েক দফা দাবিতে ব্যাংক ও এটিএম পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে৷ আগে থেকে ব্যাংক বনধের ডাক দেওয়া হলেও মাসের শেষে চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছেন আমজনতা৷ এটিএম পরিষেবা বন্ধ থাকার জেরে ভোগান্তিতে সাধারণ গ্রাহকরা৷
মাসের শেষ৷ দু’দিন ধর্মঘটের জেরে ইতিমধ্যেই নগদে টান চূড়ান্ত আকার নিয়েছে৷ ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে বেসরকারি সংস্থাগুলির কর্মীদের বেতন পাওয়া নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে৷ সরকারি কর্মচারীদের একটা বড় অংশ বেতন পেয়ে গিয়েছেন ইতিমধ্যেই৷ কিন্তু, ধর্মঘটের কারণে টাকা তুলছে সমস্যায় পড়েছেন৷ বেসরকারি ব্যাংকের এটিএমগুলি খোলা থাকার কথা থাকলেও এটিএম ঘুরেও টাকা পাওয়া যায়নি৷ মাস শেষে টাকা না পেয়ে সমস্যা যে হয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন ধর্মঘটিরা৷
আসলে এটিএমের রাশ কোনও ব্যাংকের হাতে থাকে না। টাকা ভরার দায়িত্ব দেওয়া হয় কোনও থার্ড পার্টিকে। তারা নিজেদের খেয়ালখুশি মতো টাকা ভরে৷ জানা গিয়েছে, ব্যাংক কর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরাও তাঁদের বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে৷ এটিএম পরিষেবা নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন গ্রাহকদের একাংশ৷ অভিযোগ, এটিএমে রাখার জন্য যে টাকা বরাদ্দ করা হয়, সেই টাকা অনেক ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময়ে এটিএম পর্যন্ত পৌঁছয় না৷ সংশ্লিষ্ট সংস্থা সেই টাকা অন্য কোথাও খাটিয়ে, দু’-তিনদিন বাদে তা এটিএমে হাজির করে৷ ফলে কম টাকা থাকা বা টাকা না থাকার মতো অভিযোগ প্রায়শই করেন গ্রাহকরা৷ এমনকি, এটিএম থেকে জাল নোট পাওয়ার অভিযোগও করেন অনেক গ্রাহক৷ ফলে, এমনিতেই এটিএমে টাকা না থাকার কারণে মাঝেমধ্যেই চূড়ান্ত সমস্যায় পড়তে হয় গ্রাহকদের৷ এহেন এটিএম পরিষবার সঙ্গে ব্যাংক ধর্মঘটের প্রথম দিনেই নাকাল গোটা রাজ্যের বাসিন্দারা৷
The post ব্যাংক ধর্মঘটে চূড়ান্ত নাকাল সাধারণ মানুষ, ধাক্কা অনলাইন পেমেন্টেও appeared first on Sangbad Pratidin.
