shono
Advertisement

চোর সন্দেহে থানায় টানা ১১ ঘণ্টা ‘নির্যাতন’, হাসপাতালে খানাকুলের বধূ

পুরুষ পুলিশকর্মী কীভাবে মহিলাকে তুলে নিয়ে যান, প্রশ্ন নির্যাতিতার পরিজনদের।
Posted: 04:51 PM Feb 23, 2024Updated: 04:53 PM Feb 23, 2024

সুমন করাতি, হুগলি: ব্রেসলেট চুরির সন্দেহে গৃহবধূকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচারের অভিযোগ। সাসপেন্ড হুগলির খানাকুলের এক পুলিশকর্মী। অত্যাচারিত ওই বধূর মা খানাকুল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত পুলিশকর্মী তুষার মণ্ডল, খানাকুলের মালঞ্চ এলাকার পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে আছেন।

Advertisement

খানাকুলের চিংড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মালঞ্চ এলাকায় খানাকুল থানার একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে। আর সেই ফাঁড়ির পাশেই প্রাথমিক বিদ্যালয়। ওই স্কুলেই পড়ে নির্যাতিতা বধূর ছেলে। কয়েকদিন আগে স্কুলের মাঠে ভলিবল খেলা হচ্ছিল। অভিযোগ, মাঠেই এক পুলিশকর্মীর সোনার ব্রেসলেট হারিয়ে যায়। পুলিশকর্মী গৃহবধূর ছেলেকে সন্দেহ করেন। গয়না ফেরতের দাবিতে স্কুলছাত্রের মাকে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলেই অভিযোগ।

[আরও পড়ুন: ‘ডাকলেই যাবে কেন?’, গভীর রাতে মিটিং নিয়ে মহিলাদেরই তোপ সন্দেশখালির তৃণমূল নেত্রীর]

বধূর পরিবারের লোকজনের দাবি, বুধবার বিকাল তিনটে নাগাদ তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় ১১ ঘন্টা পর অর্থাৎ রাত ২টো নাগাদ অর্ধমৃত অবস্থায় বাড়িতে দিয়ে যান তুষার মণ্ডল নামে এক আধিকারিক। শাড়ির আঁচলে চিকিৎসা করানোর জন্য ১ হাজার টাকা বেঁধে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

ভুয়ো অভিযোগে পুরুষ পুলিশকর্মী কীভাবে একজন মহিলাকে তুলে নিয়ে যান, সেই প্রশ্ন তোলেন নির্যাতিতার পরিজনেরা। ওই রাতেই মহিলাকে প্রথমে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আরামবাগের এক নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পুলিশের নির্মম অত্যাচারের আতঙ্কিত বধূর পরিবারের লোকজন। তাঁর কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। যদিও ওই পুলিশকর্মীকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘এমন সত্যি যা শিহরিত করে’, সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের নিয়ে তথ্যচিত্র প্রকাশ বিজেপির]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার