shono
Advertisement
Barrackpore

১৫ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে বিবাহসূত্রে বারাকপুরে, এসআইআর আতঙ্কে আত্মঘাতী বধূ!

মহিলার স্বামী, শ্বশুর ও ভাসুরকে আটক করেছে পুলিশ।
Published By: Subhankar PatraPosted: 07:28 PM Oct 31, 2025Updated: 08:18 PM Oct 31, 2025

অর্ণব দাস, বারাকপুর: পানিহাটি, বীরভূমের পর বারাকপুর! গায়ে আগুন দিয়ে 'আত্মঘাতী' গৃহবধূ। মৃতার শাশুড়ির দাবি, এনআরসি ও এসআইআর আতঙ্কেই এহেন পদক্ষেপ পত্রবধূর।ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়। তদন্তে পুলিশ। পরিবারের দাবি সত্ত্বেও অন্য সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। আটক করা হয়েছে বধূর স্বামী, শ্বশুর, ভাসুরকে। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বধূর নাম কাকলি সরকার। বয়স ৩৩ বছর। তিনি বারাকপুরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেজি স্কুল রোডের মনসা মন্দির এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর দুই সন্তানও রয়েছে। ১৫ বছর আগে সবুজ সরকারের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বাংলাদেশের নবাবগঞ্জ থেকে বিয়ে হয়ে ভারতে আসেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়িতে ঝামেলা চলছিল। পরিবারের দাবি, মহিলা বারংবার বাংলাদেশ যাওয়ার কথা বলতেন। এই আবহে এসআইআর ঘোষণা হওয়ায় তা নিয়ে চিন্তায় ছিলেন মহিলা। স্বামীর কাছে বাংলাদেশ যাওয়ার কথা বলেছিলেন। মহিলার স্বামী সবুজ জানিয়েছিলেন ঝামেলা মিটে যাওয়ার পর নিয়ে যাবেন। কিন্তু সে কথা শুনতে রাজি ছিলেন না মহিলা।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ঘরে গায়ে আগুন দেন কাকলি! তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানান। খবর পেয়ে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। এদিকে স্বামী সবুজ সরকার, শ্বশুর সুরেশ সরকার, ভাসুর শান্তি সরকারকে আটক করেছে পুলিশ।

মৃতার শাশুড়ি জানিয়েছেন, এনআরসি ও এসআইআর আতঙ্কে ছিলেন পুত্রবধূ। বারংবার বাংলাদেশ যাওয়ার কথা বলতেন। স্থানীয় কাউন্সিলর বলেন, "আমার এলাকায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমি গিয়েছিলাম। তবে এসআইআর বা এনআরসি নিয়ে কোনও কথা হয়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করেছে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • পানিহাটি, বীরভূমের পর বারাকপুর! গায়ে আগুন লাগিয়ে 'আত্মঘাতী' গৃহবধূ।
  • বধূর শাশুড়ির দাবি, এনআরসি ও এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন মহিলা।
  • ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য এলাকায়। তদন্তে পুলিশ।
Advertisement