সোমনাথ পাল, বনগাঁ: দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বেড়েই চলেছে বনগাঁ এলাকায়। ডাকাতি, কেপমারির ঘটনা বেড়েই চলেছে। কিছুদিন আগেই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল প্রশাসন। সঙ্গত দিয়েছিল পুরসভা। দুইয়ের উদ্যোগে গোটা এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হল না। শুক্রবার ভরদুপুরে কেপমারির শিকার হলেন এক গৃহবধূ। কেপমারদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খোয়ালেন তিনি।
[পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তা সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ রাজ্যের]
এদিন ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানা সংলগ্ন টাউনহল এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহবধূর নাম রত্না ঘোষ। বনগাঁ থানারই চাঁদা বেদেপোতা এলাকার বাসিন্দা তিনি। শহরেরই এক নার্সিংহোমে ভরতি তাঁর মেয়ে। মেয়েকে দেখতেই যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। বাস থেকে নেমে পায়ে হেঁটে বনগাঁ থানা অতিক্রম করতেই এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি এসে তাঁকে বলেন, ‘আপনার হাতের ও কানের সোনা খুলে ব্যাগে রাখুন’৷ একথা শুনে ভয় পেয়ে যান রত্নাদেবী৷ গায়ের গহনাগুলি খুলে ব্যাগে রেখে দেন৷ কিন্তু টাউনহলের মোড়ে পৌঁছতেই ওই ব্যক্তি গৃহবধূর হাত থেকে ব্যগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়৷
[কবিপক্ষেই দেবীপক্ষ! পুজোপ্রেমীদের জন্য শহরে আসছে ‘দশভূজা’]
ঘটনার পর তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়৷ জমায়েত হয়ে যায়৷ ঘটনার আকস্মিকতায় প্রথমে হতভম্ব হয়ে যান মহিলা৷ পরে স্থানীয়দের পরামর্শে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে ভরদুপুরে থানার পাশের এলাকায় এমন ঘটনা ঘটায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
[নিরাপত্তা প্রশ্নে জেরবার মেট্রো, এবার স্টেশনে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী]
