ম্যাট্রিমনি সাইটে পরিচয়। ধীরে ধীরে কথাবার্তা থেকে বিয়ের আশ্বাস। এরপরই তরুণীর থেকে সোনা, টাকা আদায় করছিলেন যুবক। এভাবে একে একে নাকি কমপক্ষে ১৫ তরুণীকে বিয়েও করেছিলেন! কিন্তু শেষরক্ষা হল না। চালে সামান্য ভুল করতেই ঠাঁই হল শ্রীঘরে।
ব্যাপারটা ঠিক কী? যুবকের নাম মতিউর রহমান। কলকাতার বউবাজারের বাসিন্দা। যদিও ম্যাট্রিমনিতে তিনি মানিক রায়। জানা যাচ্ছে, এই নামেই নৈহাটির এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। পরিকল্পনামাফিকই কথা এগোন মানিক। দাবি করেন তিনি নাকি বার্ষিক দেড়কোটি টাকা বেতনের চাকরি করেন। তরুণীও বিয়ের স্বপ্ন দেখেন। বাড়িতেও সবটা জানতেন। তরুণী দাবি, একটা সময়ের পর মানসিক চাপ বাড়াতে শুরু করেন। টাকা, সোনা চাইতে থাকে। অভিযোগকারীর দাবি, তিনি নগদ ৮৫ হাজার টাকা, সোনার ব্রেসলেট-সহ একাধিক জিনিস দিয়েছেন। প্রথমে তরুণীর কিছু সন্দেহ হয়নি।
একটা সময়ে খটকা লাগে তরুণীর। মানিক ওরফে মতিউর জানান, তাঁর মামা মারা গিয়েছে। তাই টাকা প্রয়োজন। টাকার জন্য যার অ্যাকাউন্ট নম্বর পাঠান, জানান তিনি নাকি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। কিন্তু তরুণী কোনওভাবে জানতে পারেন তাঁর বাড়ি বর্ধমান। এতেই সন্দেহ গাঢ় হয়। এরপর প্রেমিকের সোশাল মিডিয়া ঘেঁটে একাধিক মহিলার তথ্য পান তিনি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কথা বলে জানতে পারেন, সকলের সঙ্গেই একইভাবে কথা বলে টাকা হাতিয়েছে গুণধর। এমনকী ১৫ জনকে বিয়েও করেছে। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন তরুণী। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
