বেকারদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন প্রকল্প যুবসাথী (Yuva Sathi)। মাসিক অনুদান সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠাচ্ছে রাজ্য। সেই টাকাতেই ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় (PM Modi Brigade Rally) দুই বিজেপিকর্মী। তাঁদের স্পষ্ট স্বীকারোক্তি, "টাকা ছিল না। দিদির যুবসাথীর টাকা পাওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী মোদির সভায় যাচ্ছি।" এরপরই তৃণমূলের মন্তব্য, এর থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও পক্ষপাতিত্ব করে না। সকলের উন্নয়ন চায়। শুধু তৃণমূলের সমর্থকরাই বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পায়, এই দুই বিজেপিকর্মীর স্বীকারোক্তি তা নসাৎ করে দেয় বলে দাবি তৃণমূলের।
রাজগঞ্জের দুই যুবক গোপাল দাস ও কল্যাণ সরকার। স্থানীয় বিজেপিকর্মী। রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প যুবসাথীতে আবেদন করেছিলেন তাঁরা। যোগ্য হওয়ায় তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা তাঁরা পেয়েছেন। সেই টাকা নিয়ে কলকাতায় ব্রিগেডে প্যারেড গ্রাউন্ডে এসেছেন দুই যুবক। উত্তরবঙ্গ থেকে রওনা দেওয়ার আগে কল্যাণ সরকার বলেন, "আমার হাতে টাকা ছিল না। ভেবেছিলাম যেতে পারব না। কিন্তু গতকাল রাতে যুবসাথীর টাকা আমার অ্যাঙ্কাউন্টে আসে। সেই টাকা নিয়েই ব্রিগেড সভায় যাচ্ছি।" আরেক যুবক গোপাল দাস, "আজকে সকালে দিদির টাকা অ্যাঙ্কাউন্টে এসেছে। সেই টাকায় মোদিকে দেখতে যাচ্ছি।"
দুই যুবকের এই বক্তব্যের পর তৃণমূলের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, " এ থেকে তা পরিষ্কার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কোনও পক্ষপাতিত্ব করে না। সবার উন্নতিই লক্ষ্য। বেকারদের পড়াশোনা, পরীক্ষার প্রস্তুতি জন্য রাজ্য সরকার যুবসাথীর টাকা দিচ্ছে। ওই দু'ভাইকে বলব যে উদ্দেশ্যে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে সেখানে খরচ করুন।"
