আদিত্য ধর পরিচালিত ব্লকবাস্টার 'ধুরন্ধর' ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটি ভাগই বক্স অফিসে তেহেলকা তৈরি করেছে। দ্বিতীয় ভাগ মুক্তির ৪১ দিন পরও 'ধুরন্ধর:দ্য রিভেঞ্জ'-এর দাপট অব্যাহত। রণবীর সিং, সারা অর্জুনের অনস্ক্রিন রসায়নে যেমন মুগ্ধ দর্শক ঠিক তেমনই ছবি নির্মাতা আদিত্য ধরকে নিয়ে দর্শকের প্রত্যাশার পারদ ক্রমশ চড়ছে। আরও একবার আদিত্য-রণবীর জুটির কামাল পর্দায় দেখার অপেক্ষায় হিন্দি ছবির দর্শক। বলিউড সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সিনেপ্রেমীদের ভালোবাসায় 'ধুরন্ধর'-এর সাফল্যের মাঝেই নাকি পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিচালক আদিত্য ধর (Adtiya Dhar) তাঁর পরবর্তী বড় প্রজেক্টের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, নতুন একটি ভাবনা নিয়ে এগচ্ছেন আদিত্য। জানা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের মার্চ মাসে এই ছবির শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিটাউনের এই গুঞ্জনে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি আদিত্য ধর। তবে যতদূর জানা যাচ্ছে, সিনেমার কাজ একদম প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে রণবীর সিংকে আদিত্যর পরবর্তী ছবিতে দেখা যাবে কিনা সেই বিষয়টিও নাকি আলোচনা সাপেক্ষ।
বক্স অফিসে তেহেলকা তৈরি করা 'ধুরন্ধর'
আদিত্যর 'হামজা' যদি সম্মতি দেন তাহলে আরও একবার পরিচালক-অভিনেতা জুটির নতুন ধামাকা দেখার সুযোগ হতে পারে দর্শকের। ২০২৭ সালে সত্যিই রণবীর আদিত্য ফের জুটি বাঁধেন কিনা সেটা তো সময় বলবে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে মুক্তি পেয়েছিল ধুরন্ধরের প্রথম ভাগ। বিনা অভিযোগে সিনেমার কলাকুশলীদের প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা নিরলসের পরিশ্রমের ফল ছিল 'ধুরন্ধর'। প্রথম পর্বের দুর্দান্ত সাফল্যের নিরিখেই দ্বিতীয় ভাগ তৈরি করেছেন আদিত্য ধর।
হামজা আলি মাজারের ভূমিকায় 'ধুরন্ধর' রণবীরে মজে জেন জি। এই চরিত্র যখন বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে তখনই উঠে এসেছে সঞ্জয়লীলা বনশালী পরিচালিত 'পদ্মাবত'-এর আলাউদ্দিন খিলজির তুলনা। এই দুই চরিত্রের মধ্যে রণবীরের কাছে কোনটা ছিল বেশি চ্যালেঞ্জিং? সম্প্রতি একটি পডকাস্টে রণবীরের ব্যাবসায়িক বন্ধু নিকুঞ্জ বিয়ানি রণবীরের কর্মজীবন নিয়ে কথা বলেন।
সাফল্যের মাঝেই পরবর্তী ছবি নিয়ে ভাবনা শুরু আদিত্যর?
তিনি জানান, হামজা চরিত্রে অভিনয় করা খিলজির থেকে অনেক বেশি কঠিন ছিল। রণবীর সিংহের অভিনয়ের প্রশংসা করে নিকুঞ্জ বলেন, "আমি দুটো ছবিই প্রথম দিনের প্রথম শো দেখেছি। আমার খুব ভালো লেগেছে। ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ আমার দেখা সর্বকালের সেরা ছবির মধ্যে অন্যতম। প্রথম অংশ তো ভালো ছিলই, দ্বিতীয় অংশ সিনেমার জনপ্রিয়তাকে একেবারে অন্যমাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। আমি সিট ছেড়ে উঠিনি। চোখের পলকও ফেলার ইচ্ছে ছিল না কারণ ওঁর অভিনয় গুণে আমি মুগ্ধ।"
