বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় পিটার হগ তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মানহানির অভিযোগে জোড়া আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন সেলিনা জেটলিকে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বইভিত্তিক আইন সংস্থা ‘সেমওয়াল অ্যান্ড কোম্পানি’র তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে চলমান বিচ্ছেদ মামলায় সেলিনার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে দুটি পৃথক আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সেলিনা নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি ভয় পেয়ে পিছু হটে যাওয়ার পাত্রী নন। শেষ দেখে ছাড়বেন।
ইনস্টাগ্রামে লম্বা পোস্ট শেয়ার করে জোড়া আইনি নোটিসের খবরে সিলমোহর দিয়েছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে একটি তাঁর স্বামী পিটার পাঠিয়েছেন অপরটি তাঁর শ্বশুরমশাই। এই নোটিসগুলোর প্রসঙ্গে সেলিনার দাবি, পিটার ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে করা মামলা থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর প্রচেষ্টা। সেই সঙ্গে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন, নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলা এবং আইনি প্রতিকার চাওয়া কখনোই মানহানির আওতায় পড়ে না। সেলিনা আরও উল্লেখ করেন, অতীতে সংবাদমাধ্যমের প্রচারকে স্বাগত জানালেও বর্তমানে বিরূপ মনোভাব পোষণ করছে।
আইনি জটে সেলিনা
পোস্টে অভিনেত্রী লেখেন, 'পিটার ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ, সাক্ষাৎকার এবং আমাদের সন্তানদের নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে অংশ নিয়েছিলেন। তবে সেটা ততক্ষণ যতক্ষণ না ওঁর স্বার্থে আঘাত লেগেছে।' আইনি নোটিস পাঠানোয় ক্ষোভ উগরে দিয়ে সেলিনার সংযোজন, 'যখন আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা, আইনি লড়াই, একজন মা হিসেবে উদ্বেগ এবং ন্যায়বিচারের অনুসন্ধান নিয়ে কথা বলা শুরু করলাম তখন উত্তর পাওয়ার বদলে আমাকে আইনি নোটিস পাঠানো হল। এটাই সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয়।'
যৌথভাবে সন্তানের অভিভাবকত্ব করার পক্ষে সেলিনা (Celina Jaitly)। কিন্তু, অভিনেত্রীর অভিযোগ, এই লড়াই শুধু নিজের জন্য নয় একজন মা হিসেবেও তাঁর এই লড়াই। পিটার সন্তানদের 'মগজধোলাই' মায়ের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সেলিনার কাছে থাকা সব প্রমাণ ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং দুই দেশের আদালতে জমা দিয়েছেন। ভারত ও অস্ট্রিয়ার বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে বলে জানান অভিনেত্রী।
