shono
Advertisement
Hasan Jahangir

পাকিস্তানে নিষিদ্ধ 'ধুরন্ধর', ছবির 'হাওয়া হাওয়া' গানে বিরাট পারিশ্রমিক পেলেন পাক গায়ক জাহাঙ্গির!

গত শতকের আটের দশকে আত্মপ্রকাশেই ঝড় তুলেছিল গানটি।
Published By: Biswadip DeyPosted: 06:09 PM Mar 16, 2026Updated: 06:42 PM Mar 16, 2026

গত ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar)। ছবিটি শুরু থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং করে বক্স অফিসে অসামান্য রেকর্ড গড়েছে। লোকের মুখে মুখে ফিরেছে ছবির স্টাইলিশ অ্যাকশন, জমজমাট ডায়লগ এবং অবশ্যই গান। বেশ কয়েকটি পুরনো গানকে নতুন করে প্রয়োগ করে চমকে দিয়েছিলেন নির্মাতারা। যার অন্যতম 'হাওয়া হাওয়া'। গত শতকের আটের দশকে ঝড় তোলা ওই গান নতুন প্রজন্মের কাছেও দারুণ সাড়া ফেলেছে। পাকিস্তানে নিষিদ্ধ 'ধুরন্ধর'। কিন্তু সেই ছবিতে গান গেয়েই বিরাট পারিশ্রমিক পেলেন পাক গায়ক হাসান জাহাঙ্গির (Hasan Jahangir )!

Advertisement

হাসান জাহাঙ্গির কত টাকা পেয়েছেন তাঁর গান ব্যবহারের জন্য? জানালেন পাকিস্তানি শিল্পী নিজেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''একটা ছবি সম্প্রতি ৩০০ কোটি খরচ করে বানানো হয়েছে। যেটা ১১০০ কোটি রোজগার করেছিল। ওরা আমাকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছে।'' ভারতীয় মুদ্রায় যা ৪৬ লক্ষের সামান্য বেশি। জাহাঙ্গির পরিষ্কার করে দিয়েছেন, আগে থেকেই যথাযথ অনুমতি নিয়ে গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল। পাশাপাশি আগেই টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গত শতকের আটের দশকে ঝড় তোলা ওই গান নতুন প্রজন্মের কাছেও দারুণ সাড়া ফেলেছে। কিন্তু এই গানের গায়ক হাসান জাহাঙ্গির কত টাকা পেয়েছেন তাঁর গান ব্যবহারের জন্য? জানালেন পাকিস্তানি শিল্পী নিজেই।

ছবিতে 'হাওয়া হাওয়া' গানেই ছিল সঞ্জয় দত্তের 'এন্ট্রি'। এসপি চৌধুরী আসলামের চরিত্রটির জমকালো উপস্থাপনা সকলের মন জিতেছিল। আর তার এন্ট্রিতেই 'হাওয়া হাওয়া' গানটি একটা দুরন্ত পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছিল। এহেন গানের গায়ক জানিয়েছেন, গানটি তিনি গেয়েছিলেন ১৯৮৬ সালে। যা প্রকাশ পেয়েছিল ১৯৮৭ সালে। অর্থাৎ প্রায় চার দশক আগে। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''আগে এক কপিরাইটের বালাই ছিল না। কিন্তু এখন যে চাইবে আমার গান ব্যবহার করতে তাকে প্রথমেই আমার অনুমতি নিতে হবে। এবং সেজন্য যথাযথ মূল্যও দিতে হবে।''

পাক পপ সিঙ্গারের গানটি কেবল সেদেশেই নয়, এদেশেও প্রবল জনপ্রিয় হয়েছিল। জনপ্রিয় হয়েছিল বাংলাদেশেও। প্রবল খ্যাতি পাওয়া সেই সুর পরে বলিউডের ছবি ‘আগ কা গোলা’-তেও ব্যবহৃত হয়েছিল। অনেক পরে, ২০০৯ সালে সেই প্রচণ্ড জনপ্রিয় টিউনটি ব্যবহার করে তৈরি হয় বাংলা গান ‘টুনির মা’। বলে রাখা ভালো, হাসান জাহাঙ্গিরের গানটি কিন্তু মৌলিক নয়। তা আসলে বিখ্যাত পার্সি গান ‘হাভার হাভার’-এর নকল! ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে কেবল ‘হাওয়া হাওয়া’ নয়, ‘রাম্বা হো হো’ কিংবা ‘মণিকা ও মাই ডার্লিং’-এর মতো একসময়ের সুপারহিট গান ব্যবহার করা হয়েছে। সব ক’টি গানই ছবিতে যেভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে তা মন জিতেছে দর্শকদের।

পাক পপ সিঙ্গারের গানটি কেবল সেদেশেই নয়, এদেশেও প্রবল জনপ্রিয় হয়েছিল। জনপ্রিয় হয়েছিল বাংলাদেশেও। প্রবল খ্যাতি পাওয়া সেই সুর পরে বলিউডের ছবি ‘আগ কা গোলা’-তেও ব্যবহৃত হয়েছিল। অনেক পরে, ২০০৯ সালে সেই প্রচণ্ড জনপ্রিয় টিউনটি ব্যবহার করে তৈরি হয় বাংলা গান ‘টুনির মা’।

আগামী ১৯ মার্চ বড়পর্দায় মুক্তি পাবে ‘ধুরন্ধর ২’। এবার পর্দায় ‘হামজা’ আরও দানবীয়, আরও ভয়ংকর। পর্দায় মুক্তির পূর্বে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ছবির অগ্রিম টিকিট বুকিং। ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার পরই রণবীর ভক্তরা ঝড়ের গতিতে টিকিট কিনতে শুরু করেছেন। ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়েল মুক্তি পাবে মোট পাঁচটি ভাষায়। হিন্দি, তামিল, তেলুগু, কন্নড় ও মালয়লম ভাষায় এই ছবি দর্শকের দরবারে আসবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement