ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকেই অরিজিৎ সিংয়ের (Arijit Singh) সঙ্গে দেখা করার জন্য মুম্বই থেকে মুর্শিদাবাদে ছুটে এসেছিলেন আমির খান। বহরমপুরের এক বিলাসবহুল হোটেলে টানা দিন তিনেক আস্তানা গেড়ে ছেলে জুনেইদ খানের 'এক দিন' সিনেমার জন্য গান নিয়ে গিয়েছেন তিনি। এবার খবর, শুধু 'মিস্টার পারফেকশনিস্ট'ই নন, তাঁর বন্ধু সলমন খানের চর্চিত প্রেমিকা ইউলিয়া ভান্তুরও (Iulia Vantur) নাকি সম্প্রতি গায়কের জিয়াগঞ্জের পৈতৃক ভিটেতে পা রেখেছেন। শুধু তাই নয়, ফিরে এসে অরিজিৎ সিংয়ের সহজসরল জীবনশৈলী আর গ্রামবাংলার সারল্যেও মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন ইউলিয়া।
অরিজিতের বাড়িতে ইউলিয়া ভান্তুর। ছবি- সংগৃহীত
গত জানুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে প্লেব্যাক দুনিয়া থেকে অবসর ঘোষণার ঠিক পর পরই মুক্তি পেয়েছিল অরিজিৎ-ইউলিয়ার 'তেরে সঙ্গ' গানটি। যে গানের সুবাদে প্রথমবার 'প্লেব্যাক সম্রাটে'র সঙ্গে জুটি বাঁধেন মডেল-গায়িকা। সলমন খানের 'প্রেমিকা' বলেই হিন্দি সিনেদুনিয়ায় পরিচিত ইউলিয়া ভান্তুর। বিগত কয়েক বছর ধরে ভাইজানের পরিবারেও তাঁর অবাধ বিচরণ। বলিপাড়ার হাইপ্রোফাইল পার্টি-প্রিমিয়ারেও সলমনের পাশে ইউলিয়াকে দেখা যায়। সেই মডেল-গায়িকা আচমকা জিয়াগঞ্জে কেন? কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়। তাহলে কি আমির খানের পর সলমনের নতুন সিনেমার জন্য কণ্ঠ দেবেন অরিজিৎ? জল্পনা শুরু হতেই এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন ইউলিয়া। আসলে 'তেরে সঙ্গ' গানটির জন্যেই ব্যক্তি অরিজিৎ সিংকে কাছ থেকে চেনার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আর সেই প্রেক্ষিতেই গায়কের জিয়াগঞ্জের বাড়িতে যাওয়া। বাংলার মাঠঘাট, কারুশিল্পের পাশাপাশি অরিজিৎ সিংয়ের সাদামাটা ব্রহ্মাণ্ডেও মুগ্ধ ইউলিয়া ভান্তুর। এবার এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতাই উজাড় করে দিলেন ভাইজানের চর্চিত প্রেমিকা।
"অরিজিৎ নিজের চারপাশে খুব শান্তিপূর্ণ একটা পরিবেশ গড়ে তুলেছেন। যেটা ভীষণ নিরাপদ। ঠিক যেন অরিজিতের নিজস্ব একটা ব্রহ্মাণ্ড...।"
জিয়াগঞ্জ ঘুরে এসে ইউলিয়ার মন্তব্য, "অরিজিৎ ভীষণ আন্তরিক একজন মানুষ। আমরা ওঁর গ্রামে গিয়েছিলাম সম্প্রতি। জায়গাটা এত শান্তিপূর্ণ অসাধারণ। অত্যন্ত সুন্দর। গাড়িতে যাওয়ার সময় গ্রামের রাস্তার পাশে ছোট ছোট দোকান দেখতে আমার খুব ভালো লাগছিল। দোকানদার, দর্জি যে যার মতো নিজেদের কাজে ব্যস্ত। জিয়াগঞ্জের পরিবেশও বেশ সুন্দর। আমার সত্যিই খুব ভালো লেগেছে।" তাঁর সংযোজন, "অরিজিৎ নিজের চারপাশে খুব শান্তিপূর্ণ একটা পরিবেশ গড়ে তুলেছেন। যেটা ভীষণ নিরাপদ। ঠিক যেন অরিজিতের নিজস্ব একটা ব্রহ্মাণ্ড। ও আসলে মানুষটাই এমন। গান, নিজের লোকজন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সকলের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।"
