খাস কলকাতায় বেসামাল লরিচালকের ভুলের খেসারত দিলেন জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (Joyjit Banerjee)। বরাতজোরে প্রাণ বাঁচলেন এই বাঙালি অভিনেতা। তবে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জয়জিৎ-এর গাড়ি। দুর্ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়েছেন খোদ জয়জিৎ। সমাজমাধ্যমে অভিনেতা জানিয়েছেন, টালিগঞ্জ করুণাময়ী ব্রিজ থেকে নামার সময় (হরিদেবপুরের দিকে) পথ দুর্ঘটনা সম্মুখীন হয়েছেন।
তাঁর গাড়ি চালক সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ছিলেন বলেই দাবি জয়জিৎ-এর। কিন্তু, যে লরির ধাক্কায় গাড়ির ডানদিক ক্ষতিগ্রস্ত হল, সেই চালক সম্পূর্ণ বেসামাল ছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেতা। ফাঁকা রাস্তায় বেসামাল গাড়ি চালানো দেখে, প্রাথমকি অনুমান জয়জিৎ-এর। দুর্ঘটনার পর নিকটবর্তী হরিদেবপুর থানায় যান অভিনেতা। এমসিআর করেই ছেড়ে দিয়েছে বলে জানান জয়জিৎ।
লরির ধাক্কায় বিরাট ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, 'পেছনের সিটে বসে থাকলে আঘাত লাগতেই পারত। আমার না হয় গাড়িতে লেগেছে। কিন্তু লরিচালকের বেপরোয়াভাবে চালানোর জন্য ভবিষ্যতে এরকম অনেক পথ দুর্ঘটনা বা জীবনহানিও ঘটতে পারে। লরিটি কতদূর যাবে জানিনা!' জয়জিৎ আসা করেছিলেন, সিসিটিভিতে মোড়া শহরে ফুটেজ দেখে লরিটি চিহ্নিত করা হবে। কিন্তু অভিনেতার দাবি, কোনও তৎপরতা তাঁর নজরে আসেনি। যদি সেটা হত তাহলে হয়ত এমন ঘটনা ঘটত না।
তবুও কলকাতা পুলিশের ওপর অটুট ভরসা অভিনেতার। পোস্টের একদম শেষ পংক্তিতে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নজরে এনেছেন। পঁচিশ সালের অক্টোবর মাসে পারিবারিক ছুটি কাটাতে গিয়েও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবারও একটা লড়ি ওভারটেক করতে গিয়ে তাঁদের গাড়িটিকে বাঁদিকে খুব জোরে চেপে দিয়েছিল।
অনেক বড় অঘটন ঘটতে পারত। তবে ভগবানের আশীর্বাদে সেযাত্রায় সকলে বেঁচে ফিরেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু, সকলে ফোন করে খবর নিচ্ছিলেন। ওই অবস্থায় কথা বলতে খুব সমস্যা হচ্ছিল। তাই শুভাকাঙক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েই পোস্টটি সরিয়ে দিতে বাধ্য হন। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে 'তিলোত্তমা' ধারাবাহিকে চিকিৎসক প্রতাপের চরিত্রে অভিনয় করছেন।
