বহু বিতর্ক পেরিয়ে অবশেষে নিজেদের অবস্থানেই অটুট রইলেন 'কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি' ছবির নির্মাতারা। সলমন খানের কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা নিয়ে ছবি ঘোষণা করে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন প্রযোজক অমিত জানি। সিনেমার পোস্টার উন্মোচনের পর থেকেই ‘ডি কোম্পানি’র নাম করে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। সলমনের আইনজীবীর তরফে নোটিস পাঠানো হয় সিনেমার পরিচালক ভরত শ্রীনাথ ও প্রযোজক অমিত জানিকে। ওই আইনি নোটিস মারফত ছবিমুক্তি স্থগিত রাখতে এবং সিনেমার প্রচারমূলক যাবতীয় কনটেন্ট সমাজ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ক্ষমাপ্রার্থনা না করলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় প্রযোজককে। মাথার উপর বিপদের খাঁড়া বিদ্যমান, তবুও সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেটনি।
ভাইজানের আইনজীবীর চিঠি থেকে ‘ডি কোম্পানি’র প্রাণনাশের হুমকি ফুৎকারে উড়িয়ে শুক্রবার মুক্তি পেল 'কালা হিরণ'- এর প্রথম ঝলক। প্রায় আড়াই মিনিটের ফার্স্ট লুক থেকে একটা বিষয় কিন্তু স্পষ্ট, একাধিক দৃশ্যে নির্মাতারা পরোক্ষভাবে সলমান খানকেই উপস্থাপন করেছেন। নায়কের মুখের অভিব্যক্তির সঙ্গে সলমনের সাদৃশ্য যেমন রয়েছে তেমনি চেহারার সঙ্গেও রয়েছে সামঞ্জস্য! সে কথা বললে অত্যুক্তি হবে না।
প্রথম ঝলক
'কালা হিরণ'-এর টিজারে নজর কেড়েছে সলমন খানের হাতের নীল ব্রেসলেটের আদলে নায়কের হাতের ব্রেসলেট। বাস্তবের কাহিনিই পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন পরিচালক ভরত শ্রীনাথ, সেবিষয়ে আর কোনও সংশয় নেই তা বলাই বাহুল্য। ছবির নির্মাতারা অত্যন্ত সুকৌশলে বিতর্ক এড়াতে চরিত্রের নামবদল করেছেন। সলমনের আদলে তৈরি চরিত্রটির নামকরণ করেছেন ‘আয়ান খান’ আর লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সিনে ভার্শন ‘লায়ন বিষ্ণোই’।
লরেন্স বিষ্ণোই আর সলমনের কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা পরস্পরের পরিপূরক তা বলাই বাহুল্য। নয়ের দশকে দাউদ ইব্রাহিমের নামে ভয়ে যেমন প্রত্যেকে যুযু হয়ে থাকত বর্তমানে তারই আপডেটেট ভার্শন 'লায়ন বিষ্ণোই'। যার নামে কম্পিত হয় আসমুদ্রহিমাচল। টিজারের পর ট্রেলারে আর কোন চমক উন্মোচিত হয় সেই অপেক্ষায় হিন্দি ছবির দর্শক। একইসঙ্গে, ফার্স্ট লুক মুক্তির পর নতুন করে আর কোনও সমস্যা তৈরি হয় কিনা সেটাও বিবেচ্য বিষয়।
সলমনের হাতের ব্রেসলেটের আদলে...
