যোগগুরু রামদেব ও কঙ্গনা রানাউতের ভার্চুয়াল বাকবিতণ্ডা যেন কিছুতেই থামতে চাইছে না! কঙ্গনা-রামদেবের (Baba Ramdev) বাকযুদ্ধে সরগরম নেটভুবন। তবে রাখিবন্ধনের দিন একেবারে উলোটপুরাণ! মিটে গেল পারস্পরিক বিবাদ। উৎসবের দিন মান-অভিমানের বরফ গলে জল। কঙ্গনাকে ক্ষমা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যোগগুরু রামদেব। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছেন 'ভক্ত' কঙ্গনা।
নিট কেলেঙ্কারিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে জেন জির আন্দোলনের সময় তরুণ প্রজন্মকে 'নদর্মার আবর্জনা' কটাক্ষ কঙ্গনা রানাউতের (Kangana Ranaut)। 'ভক্ত' কঙ্গনার মতকে সমর্থন করেননি যোগগুরু রামদেবও। সাংসদ-অভিনেত্রীর শৈশব, যৌবন এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। পালটা কঙ্গনা চব্বিশ সালে রামদেব ও পতঞ্জলির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সুপ্রিম মামলার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'আমার যৌবন, বেডরুম নিয়ে স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুন।'
রামদেব ও কঙ্গনা
আরও একধাপ এগিয়ে রামদেবের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে প্রশ্ন ছুড়েছেন, "বাদুড়ের মতো আমার বেডরুমে ঘরে ঝুলেছিলেন নাকি যে আমার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে এত কিছু জেনে ফেলেছেন?" উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মাঝেই ভোলবদল রামদেবের। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় রামদেব কঙ্গনাকে 'বোন' সম্বোধন করেন। তাঁর মতে, রাখিবন্ধনের দিন মনের ভিতর কারও প্রতি ঘৃণা বা শত্রুতা পুষে রাখা উচিত নয়।
বাবা বাবা রামদেব বলেন, “বোন কঙ্গনা রানাউতের জন্য এই উপহার ও মিষ্টি আমরা ডাকযোগে পাঠিয়ে দিচ্ছি। কোনও কারণেই কারও প্রতি ঘৃণা থাকা উচিত নয়। পরস্পরের প্রতি কোনও বিদ্বেষ রাখাও একেবারে কাম্য নয়। তাই আমরা আজ সমস্ত বিবাদের অবসান ঘটালাম। আসুন, বিবাদকে সংলাপের মাধ্যমে সব মনোমালিন্য শেষ করি। আজ আমি কঙ্গনা বোনকে ফোন করেও রাখিবন্ধনের শুভেচ্ছা জানাব।"
কঙ্গনার পোস্ট
কঙ্গনাও ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রামদেবের প্রতি সম্মান জানিয়ে লেখেন, 'উৎসবের দিন সব ভুল-ত্রুটি ভুলে ক্ষমা করে দেওয়ার দিন। আমার ভাই বাবা রামদেবজি খুব সুন্দর বলেছেন যে বিবাদ নয়, সংলাপের মাধ্যমে সব ঝামেলার অবসান ঘটানো উচিত। আজ রাখিবন্ধনের দিনে আমি তাঁর পাঠানো মিষ্টি এবং বড় ভাইয়ের ভালোবাসা দুটিই গ্রহণ করব। অনেক ধন্যবাদ। ঈশ্বর আপনাকে দীর্ঘায়ু দিন।'
