রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পের হাত ধরে পালটেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নারীদের জীবন। ঘরে ঘরে স্বনির্ভর হয়েছেন মা-বোনেরা। রাজ্য সরকারের হাত ধরে কীভাবে উপকৃত হয়েছেন আমজনতা তা স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যমূলক চলচ্চিত্র 'লক্ষ্মী এল ঘরে'তে তুলে ধরা হয়েছে। যার পরিচালনা করেছেন রাজ চক্রবর্তী। প্রকাশ্যে এল ছবির ট্রেলার।
এই ছবি পরিচালনা করেছেন রাজ চক্রবর্তী। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় ও অঙ্কুশ হাজরাকে নিয়েই মূলত তৈরি করেছেন এক ঘণ্টার এই ছবি। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে সোহিনী সেনগুপ্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায়, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখকে। একঘণ্টার এই ছবির ট্রেলারে দেখা যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এক মেয়ের সবকিছু হারিয়েও ঘুরে দাঁড়ানোর ঘটনা। সেই ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে শুভশ্রীকে। স্বামীকে অকালে হারিয়ে, শ্বশুরবাড়ির লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করে হঠাৎ একদিন রাজ্যসরকারের নারীকল্যাণের স্বার্থে বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অবগত হয়ে স্বনির্ভর হওয়ার পথ খুঁজে পায় এই ছবিতে শুভশ্রীর চরিত্র। আর তাঁকে যিনি এই সম্পর্কে অবগত করেন সেই ভূমিকায় রয়েছেন অঙ্কুশ হাজরা। আর সেই প্রকল্পের হাত ধরে শুধু জীবনই নয়, একইসঙ্গে পালটেছে শাশুড়ি-বউমার সম্পর্কের সমীকরণ। ঘুচেছে তিক্ততা। এসবই তুলে ধরা হয়েছে ট্রেলারে। যা দেখে বোঝাই যাচ্ছে, এ রাজ্যের প্রতিটি নারী নিজেকে খুঁজে পাবেন এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে। এই ট্রেলারে তুলে ধরা হয়েছে রাজ্যসরকারের কন্যাশ্রী, পথশ্রী, আনন্দধারা, স্বাস্থ্যসাথী-সহ একাধিক প্রকল্প। একইসঙ্গে এই 'লক্ষ্মী এল ঘরে'র ট্রেলারে রাজ্যের নারীদের নানা উন্নতি তুলে ধরে কেন্দ্রকেও একপ্রকার খোঁচা দেওয়া হয়েছে।
বলে রাখা ভালো, এর আগে বুধবার নন্দনে এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি 'লক্ষ্মী এল ঘরে'র স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি দেখে আপ্লুত হয়ে তিনি বলেছিলেন, “সরকারের দায়দায়িত্ব এবং কর্তব্য আমাদের সকলের। সরকার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কী কাজ করেছে সেটা তুলে ধরা দরকার। এর আগে একুশে বঙ্গধ্বনি যাত্রা হয়েছে। তার পর ১৫ বছরের কাজ আমরা তুলে ধরছি। নানা উন্নয়নের কথা গ্রামে গ্রামে বলছি। ৯৭-৯৮ টা স্কিম রয়েছে। তার মধ্যে এখানে ৭-৮ টার কথা বলা হয়েছে। মানুষের কাছে এটা তুলে ধরতে আর যা যা করার করব। এখানে লক্ষীর ভাণ্ডারের রোল যেমন অনেকে জানেই না, কী ধরনের স্কিম দরকার দেয়। এগুলো আমি নিজে নবজোয়ার যাত্রায় গিয়ে দেখেছি। এই স্কিম মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে।” অন্যদিকে রাজ জানিয়েছিলেন, "‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ শর্টফিল্মে রাজ্য সরকারের কাজের কোনও ডকুমেন্টেশন নেই। দ্রুত এই কাজটা করতে হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বারবার কথা হয়েছে, উনি স্ক্রিপ্ট শুনেছেন। সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি। মানুষের কথা ভেবে কাজ হয়েছে।”
