পাপারাজ্জিদের বাড়বাড়ন্তে মায়ানগরীর সেলেবপাড়ায় প্রতিনিয়ত জমছে অভিযোগের পাহাড়। কখনও সোনাক্ষী সিনহা তো কখনও শাহরুখপুত্র আরয়ান খান, কখনও আবার সলমনের নায়িকা জারিন খান ছবিশিকারীদের 'অত্যাচার'-এ নাজেহাল। অনেকসময় ধৈর্যচ্যুতিও ঘটেছে সেলেবদের। সমাজমাধ্যমের পাতায় উঠে এসেছে সেই নজিরও। এবার প্যাপেদের ব্যবহারে 'বিরক্ত' বঙ্গললনা-অভিনেত্রী মৌনী রায় (Mouni Roy)।
সাধারণত আলোকচিত্রীদের আবদার রাখেন মৌনী। তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যামেরায় হাসিমুখে পোজও দেন। প্রচণ্ড তাড়াহুড়োর মধ্যেও হাত নেড়ে সাড়া দেন। তাহলে মঙ্গলবার রাতে কেন মৌনীর এই ভোলবদল? এদিন কাছের বন্ধু অর্জুন বিজলানি, অনুষা দাণ্ডেকারের সঙ্গে বান্দ্রার একটি রেস্তরাঁ থেকে নৈশভোজ সেরে বেরচ্ছিলেন মৌনী রায়। বাইরে এসে অনুষা ও মৌনি পরস্পরকে উষ্ণ আলিঙ্গন করেন। সেই মুহূর্ত লেন্সবন্দি করতেই সেই সময় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তাঁদের ঘিরে ধরেন পাপারাজ্জিরা।
মোহময়ী মৌনী
ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ব্লাবের ঝলকানিতে মৌনীর চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ একদম স্পষ্ট। ছবি তুলতে বারণ করলেও তাঁর কথায় গুরুত্ব দেননি প্যাপেরা। একের পর ক্লিক, ব্যাস রেগে কাঁই মৌনী। মেজাজ হারিয়ে প্যাপেদের দিকে আঙুল তুলে চোখ পাকিয়ে দৃঢ় কণ্ঠে বলেন "বন্ধ করুন"। প্রথমে নরম সুরে অনুরোধ করে কাজ না হওয়ায় অগত্যা সুর চড়াতে বাধ্য হন মৌনী, তা বললে অত্যুক্তি হবে না।
ক্ষুব্ধ মৌনী
সোশাল মিডিয়ায় দ্রুত গতিতে ভাইরাল সেই মুহূর্ত। গাড়ির ভিতর বসেও যেন রাগে ফুঁসছিলেন অভিনেত্রী। তখনও একাধিকবার ছবি তুললে নিষেধ করেন। কিন্তু, চিত্রসাংবাদিকরা নিজেদের অবস্থানে অনড়। গাড়ির ভিতর মাথায় হাত দিয়েও বসে থাকতে দেখা যায় মৌনীকে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে আসেন তাঁরা।
