প্রকাশ রাজ (Prakash Raj) , তিনি শুধু একজন অভিনেতাই নন একইসঙ্গে সমাজকল্যানমূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত। সমাজিক অব্যবস্থা বা বিতর্কিত কোনও বিষয়ে ঘৃতাহুতির জন্য প্রায়ই চর্চায় থাকেন এই দক্ষিণী অভিনেতা। ২০২৫ সালের কর্নাটকের ধর্মস্থল গণকবর কাণ্ডে নতুন করে অস্বস্তি বেড়েছে প্রকাশ রাজের। কর্নাটক হাইকোর্টে প্রকাশের বিরুদ্ধে ধর্মস্থল ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত চিন্নায়া একটি রিট পিটিশন দাখিল করেছেন। যদিও সমাজমাধ্যমে অভিনেতার দাবি, এই ঘটনায় তাঁকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করালেও তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ। ভুয়ো খবর এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। এর মাঝেই রবিবার ককরোচ জনতা পার্টির একটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে প্রকাশ রাজ।
যেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপকে। কী কারণে প্রতিবাদ কর্মসূচি 'সিজেপি'র? শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক অনিয়মের অভিযোগেই এই বিক্ষোভ প্রদর্শন। যার মধ্যে রয়েছে সম্প্রতি বেশ কয়েকজন নিট পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো উল্লেখযোগ্য ঘটনা। রবিবার বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছিলেন প্রকাশ। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একেবারে বিস্ফোরক অভিনেতা-সমাজবিদ।
প্রকাশ রাজ
প্রতিবাদী কণ্ঠে বলেন, "জনস্বার্থে কথা বলার জন্য যদি পাকিস্তানি, সন্ত্রাসবাদী বা তেলাপোকা বলেও কটূক্তি করা হয় তাহলেও আমরা ভয় পাচ্ছি না।" প্রবীণ রাজনৈতিক নেতৃত্বেরও কড়া সমালোচনা করেন। সুর চড়িয়ে নির্দ্ধিয়ায় বলেন, "নির্বাচিত নেতারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন না। তাই তরুণ প্রজন্মকেই নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করতে হবে।"
বেঙ্গালুরুর বিক্ষোভ কর্মসূচীতে প্রকাশ রাজ
অন্যদিকে, অভিজিৎ দীপকে জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে। ১৫ জুন অর্থাৎ সোমবারও জয়পুরের শহীদ স্মারকেও বিক্ষোভ প্রদর্শনের কর্মসূচী ছিল। কিন্তু, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি পায়নি। যদিও সিজেপি-র জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা অনুমোদন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণভাবে ২০ জুনের দিল্লির যন্তরমন্তরের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
