আজকাল শুধু সিনেমার পর্দা, টেলিভিশন, ম্যাগাজিন এবং সংবাদপত্রের মধ্যেই সেলিব্রিটিরা সীমাবদ্ধ নন। উন্নত প্রযুক্তির যুগে একেবারে হাতের মুঠোয় রুপোলি দুনিয়ার তারকারা। এর ফলে প্রায়ই নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হন তাঁরা। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জেরে জটিলতা আরও বাড়ছে। ‘ডিপফেক’-এর বাড়বাড়ন্তে একেবারে নাজেহাল সেলেবমহল। বিনা অনুমতিতেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হচ্ছে তারকাদের ছবি, কণ্ঠস্বর। সাম্প্রতিক অতীতে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন থেকে সলমন খান, বিবেক ওবেরয়, আল্লু অর্জুন, বরুণ ধাওয়ান সহ একাধিক তারকা এই ঘটনার শিকার। ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার্থে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। এবার সেই তালিকার নয়া সংযোজন বলিউডের 'বাবলি গার্ল' প্রীতি জিন্টা।
বম্বে হাই কোর্টের কাছে সুরক্ষাকবচ চাইলেন অভিনেত্রী। অভিযোগ, মেটা ও গুগলসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তাঁর চেহারা ও পরিচয় ব্যবহার করে এআই দ্বারা নির্মিত কনটেন্ট তৈরি করে আপলোড করা হচ্ছে। যা তাঁর ব্যক্তিত্বগত অধিকার, কপিরাইট এবং সুনামকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। এখানেই শেষ নয়, ১৯৫৭ সালের কপি রাইট অ্যাক্ট অনুযায়ী, তাঁর নৈতিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছেন প্রীতি।
বম্বে হাই কোর্টে প্রীতি
বিচারপতি অভয় আহুজার একক বেঞ্চ অভিনেত্রীর আবেদন গ্রহণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা লড়তে পারবেন। অভিযোগে উল্লিখিত কার্যকলাপ খতিয়ে দেখে বম্বে হাই কোর্ট মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ জানাবে। সাম্প্রতিক সময়ে এআই প্রযুক্তির প্রসারের ফলে ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও বেড়েছে তা বলাই বাহুল্য।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে সমস্যার সম্মুখীন প্রীতি
বিভিন্ন অভিনেতা, অভিনেত্রীর ছবি, কণ্ঠস্বর এবং পরিচয় নকল করে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগ উঠছে। সাম্প্রতিক অতীতে ইন্ডাস্ট্রির হাই প্রোফাইল তারকারা ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার্থে নিষেধাজ্ঞার অনুমতি পেয়েছেন। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে প্রীতি জিন্টা তাঁর আসন্ন ছবি 'বাটোয়ারা ১৯৪৭'-এর প্রচারে ব্যস্ত প্রীতি। তার মাঝেই ব্যক্তিগতজীবনের সমস্যা সমাধানে আদালতের দ্বারস্থ অভিনেত্রী।
