থলপতি বিজয়ের শেষ ছবি ‘জন নয়াগন’-এর মুক্তি আটকে দিয়েছে কেন্দ্র। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করলেন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এখনও পর্যন্ত রাহুলের এই মন্তব্যের পালটা কিছু জানায়নি কেন্দ্র।
এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, 'তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক তামিল সংস্কৃতির উপরে আঘাত হানতেই জন নয়াগনের মুক্তি আটে দিয়েছে। মিস্টার মোদি, আপনি এভাবে তামিল জনগণের কণ্ঠরোধ করতে পারবেন না।' ৯ জানুয়ারি থলপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নয়াগন’-এর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দিনদুয়েক আগে আচমকাই জানা যায়, মুক্তি পাচ্ছে না বিজয়ের বহু প্রতীক্ষিত ছবিটি। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়ায় তাই মাদ্রাজ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নির্মাতারা। গত শুক্রবার উচ্চ আদালত সেন্সর বোর্ডকে ‘U/A’ শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ সেই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে।
গত শুক্রবার উচ্চ আদালত সেন্সর বোর্ডকে ‘U/A’ শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ সেই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে।
অনেকেই এই সিদ্ধান্তের পিছনে 'রাজনৈতিক অঙ্ক' দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। গত বছর মাদুরাইয়ের সভা থেকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দেন দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয়। জানান, “আমি মাদুরাই পূর্ব, মাদুরাই দক্ষিণ, উসিলামপট্টি, মেল্লুর; পুরো মাদুরাইতে দাঁড়াব। আমি ২৩৪টি আসনেই লড়ব।” অতঃপর থলপতি বিজয়ের ‘পাখির চোখ’ যে বর্তমানে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনই, তা আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। এদিকে বিজয়ের দল টিভিকে-র সঙ্গে জোটের কথা ভাবছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তামিল তারকার দারুণ বন্ধুত্বও রয়েছে। আর এতেই মনে করা হচ্ছে, বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করে কংগ্রেসের দিকে ঝোঁকাটাই কাল হল বিজয়ের! জানা গিয়েছে, বিজেপিও নাকি থলপতির সঙ্গে জোটে আগ্রহী ছিল।
