ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বন্ধুত্ব বরাবরই সোশাল পাড়ার আতশকাচে! এই বন্ধুত্বের এক গালভরা নামও রয়েছে, তা হল 'মেলোডি'। গত মে মাসে ইটালি সফরের সময়ে 'বন্ধু' মেলোনিকে 'মেলোডি' উপহার দিয়েছিলেন মোদি। মাস দুয়েক বাদেও যা কিনা আপামর বিশ্বের কাছে অন্যতম 'রসিক ইস্যু'। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এহেন 'চকোলেট কূটনীতি' নিয়ে রাজনৈতিকমহলের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিনোদুনিয়ার টেবিলেও 'চায়ে পে চর্চা'র অন্ত নেই। এবার নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনের আবহে সেপ্রসঙ্গ টেনেই ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে রসিকতা রাখি সাওয়ান্তের!
মোদি-মেলোনির সমীকরণ নিয়ে রাখি সাওয়ান্তের এহেন মন্তব্যে অনুরাগীরা হেসে খুন! কারও মন্তব্য, 'রাখি সাওয়ান্তের আত্মবিশ্বাস অবিশ্বাস্য!' কেউ বা লিখলেন, 'মেলোনিজির অবশ্যই...।'
সম্প্রতি শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে চর্চার শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছিলেন রাখি। বলিউডের 'নীরব' সেলেবদের খোঁচা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, "সোনমজি খাওয়াদাওয়া করে এই লড়াইটা চালিয়ে যান। নইলে আপনার মৃত্যুতে তখন সবাই মোমবাতি মিছিল করবে। আমরা চাই না উনি শহিদ হোক। দেশের স্বার্থে এত ভালো কাজ করছেন, হাতজোড় করে অনুরোধ করছি সকলে এগিয়ে আসুন...।" পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তরে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, সোনমকে নিজের হাতে লেবুর জল, আমের সরবত, মৌসুম্বির রস খাইয়ে অনশন প্রত্যাহারের ইচ্ছের কথাও জানান রাখি সাওয়ান্ত। এবার নিট কেলেঙ্কারির আবহে যখন সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার ক্ষোভ উগড়ে চলেছে দেশের যুবপ্রজন্ম, তখন এমন আবহে মোদিকে নিয়ে মেলোনির কাছে আজব আবদার 'বিতর্কিত' অভিনেত্রীর।
মোদি-মেলোনির সমীকরণ নিয়ে রাখি সাওয়ান্তের 'রসিক' মন্তব্য
জর্জিয়া মেলোনির পোস্টের মন্তব্যবাক্সে গিয়ে রাখি যা লেখেন, তা দেখেই বর্তমানে নেটভুবনের পেটে খিল। একাংশ আবার রাখির 'মস্তিষ্ক বিভ্রাটে'র দাবিও করেছেন। ইটালির প্রধানমন্ত্রীর পোস্টে গিয়ে অভিনেত্রীর মন্তব্য, "আপনার 'বয়ফ্রেন্ড'কে পদত্যাগ করতে বলুন। এই দেশের মানুষ চিন্তিত হয়ে পড়ছে।" মোদি-মেলোনির সমীকরণ নিয়ে রাখি সাওয়ান্তের এহেন মন্তব্যে অনুরাগীরা হেসে খুন! কারও মন্তব্য, 'রাখি সাওয়ান্তের আত্মবিশ্বাস অবিশ্বাস্য!' কেউ বা লিখলেন, 'মেলোনিজির অবশ্যই রাখি সাওয়ান্তের পরামর্শ নেওয়া উচিত।' এহেন নানা মন্তব্যে ছেয়ে গিয়েছে নেটভুবন।
