‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar 2)-এর টিজার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই প্রতীক্ষা শুরু হয়েছে কবে দেখা মিলবে ট্রেলারের। বিশেষ করে টিজারে নতুন কিছু সেভাবে দেখানো হয়নি বলেই যেন আরও অধীর আগ্রহে ট্রেলারের জন্য অপেক্ষা বেড়েছে। শোনা গিয়েছিল, দোলের দিনই প্রকাশ্যে আসবে ছবির নতুন ঝলক। কিন্তু অপেক্ষাই সার! মঙ্গলবার বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা, রাত হওয়ার পরও দেখা যায় ট্রেলার মুক্তি পায়নি। স্বাভাবিক ভাবেই চর্চা শুরু হয়, কী কারণে মুক্তি পেল না ট্রেলারটি। এক এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর নেপথ্যে রয়েছে চন্দ্রগ্রহণ!
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গ্রহণ লাগার সময় ছিল দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে। চলে ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু জ্যোতিষ মতে, গ্রহণের কারণে সকাল ৯টা ৩৯ মিনিট থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত সময়টা অশুভ। এদিকে কোনও ছবির ট্রেলার মুক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত দুপুরের দিকের সময়ই বেছে নেওয়া হয়। কিন্তু সেই সময়টা গ্রহণ চলার কারণেই নির্মাতারা নাকি সিদ্ধান্ত নেন মঙ্গলবার ট্রেলার রিলিজই করা হবে না! আরেক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ছবির ট্রেলার মুক্তির নতুন তারিখ হতে পারে ৫ বা ৬ মার্চ। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার কিংবা শুক্রবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ছবির গুণমুগ্ধ দর্শকদের।
উল্লেখ্য, “এটা নতুন হিন্দুস্থান, ঘরে ঢুকে মারতেও পিছপা হয় না…”, এহেন সংলাপেই ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে ‘ধুরন্ধর’-এর দ্বিতীয়ভাগের ঝলকে উন্মাদনার পারদ চড়ান ‘হামজা আলি’ ওরফে রণবীর সিং। কিন্তু টিজার প্রকাশ্যে আসার পরই আইনি গেরোয় পড়তে হয়েছিল ‘ধুরন্ধর ২’ নির্মাতাদের। নিয়মিত প্রশাসনের পর্যবেক্ষণে থাকা এলাকায় অবৈধভাবে ড্রোন চালানোয় অভিযোগ দায়ের করেছিল মুম্বই পুলিশ। পরিচালক আদিত্য ধরের সংস্থার বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বৃহন্মুম্বই পুরসভাও! ‘ধুরন্ধর ২’-এর শুটিং চলাকালীন একাধিকবার নাকি আইন লঙ্ঘন করেছে আদিত্য ধরের টিম। আর সেই প্রেক্ষিতেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুম্বই পুরসভা।
