উনিশ সালে বিগ বসের ঘরেই সিদ্ধার্থ শুক্লা আর শেহনাজ গিলের প্রেমের সূত্রপাত। সম্পর্কের মিষ্টি রসায়ন প্রত্যেকের মন ছুঁয়েছিল। কিন্তু, মাত্র দু'বছরেই সব শেষ! একুশে সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর আজও 'সিঙ্গল' শেহনাজ। বহুবার, পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে অভিনেত্রীর ফোনের ওয়ালপেপারে প্রয়াত প্রেমিক সিদ্ধার্থের ছবি। কিন্তু, অভিনেতা রাঘব জুয়াল তাঁর জন্মদিনের পার্টিতে ভিড়ের মাঝে শেহনাজের 'সুরক্ষাকবচ' হতেই শুরু প্রেমের গুঞ্জন। সম্পর্কের সেই 'মাখোমাখো সমীকরণ'কে নস্যাৎ করে শেহনাজের দাবি, ভালোবাসার নিখুঁত সমাপ্তি নিষ্প্রয়োজন।
সিদ্ধার্থের সঙ্গে সম্পর্কের মর্মান্তিক পরিণতির ইঙ্গিতই দিলেন, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে কথা বলার সময় কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। একরাশ যন্ত্রণা চেপে শেহনাজের সংযোজন, সম্পর্ক পূর্ণতা পেল কিনা তার উপর ভিত্তি করে প্রকৃত ভালোবাসা বিচার করা উচিত নয়। বরং যাঁরা রাঘবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জলঘোলা করছে পরোক্ষভাবে তাঁদের উদ্দেশে খোঁচা, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে অহেতুক চিন্তা না করে বর্তমানেই ফোকাস করা উচিত।
শেহনাজ-সিদ্ধার্থের প্রেম
প্রত্যেককে সেই পথ অনুসরণ করার পরামর্শ দেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শেহনাজ গিল অভিনীত 'ইশকনামা'। সেই ছবির প্রচার সংক্রান্ত এক সাক্ষাৎকারেই নিজের বক্তব্য রেখেছেন শেহনাজ গিল। প্রেমের ছবি নিয়ে কথা বলার সময়ই আবেগমিশ্রিত কণ্ঠে শেহনাজের সংযোজন, "কিছু প্রেমের গল্প পূর্ণ হওয়ার চেয়ে অনেকবেশি স্মরণীয় হয়ে থাকে। ভালোবাসা পূর্ণ হোক বা না হোক তা অসম্পূর্ণ। আমার মনে হয় আমাদের বর্তমানে বাঁচা উচিত। অনেকে ভবিষ্যৎ নিয়ে এত কিছু পরিকল্পনা করে ফেলেন যা হতাশা ও মানসিক কষ্টের কারণ হতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে প্রাণখুলে শ্বাস নেওয়া উচিত।"
সিদ্ধার্থ-শেহনাজ
অভিনেতা রাঘবও প্রেমচর্চা ভেস্তে দিয়ে কড়া সুরে বলেছিলেন, "আমার বাবা-মা আমাকে প্রকৃত অর্থে পুরুষ তৈরি করেছেন। আমার সঙ্গে অন্য কোনও মহিলাও যদি সেদিন থাকতেন, আর একদল পুরুষ যদি তাঁর ওপর চড়াও হত, সেক্ষেত্রেও আমি প্রতিবাদ করতাম। কারণ এমন শিক্ষাই আমি পেয়েছি। এভাবেই আমার বেড়ে ওঠা। শুধু দাঁড়িয়ে দেখব- এমন মানুষ আমি হতে পারব না। বন্ধু হোক বা পরিবার, যে কোনও মহিলাকেই আমি আমৃত্যু রক্ষা করব। এটাই আমি। নিজের ভাবমূর্তি নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র ভাবি না।"
