পঁচিশ সালে বিটাউনে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছিল বচ্চন পরিবারের বিচ্ছেদের গুঞ্জন। সাংসারিক অশান্তির পাশাপাশি জুনিয়র বচ্চনের 'টলমল' দাম্পত্যই হয়ে উঠেছিল 'টক অফ দ্য টাউন'। বিচ্ছেদচর্চা নিয়ে প্রকাশ্যে বচ্চন দম্পতি বিনা বাক্যব্যয়ে সেই জল্পনা ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এবার সমালোচকদের মুখে ছাই দিয়ে প্রকাশ্যে বিদেশের মাটিতে 'হাইভোলটেজ' সেলেব দম্পত্তির একান্তযাপনের ছবি।
অভিষেকের সঙ্গে রাই সুন্দরীকে দেখেই খুশিতে গদগদ তারকা জুটির অনুগামীরা। নিউ ইয়র্কে 'কিং' ছবির শুটিয়ে ব্যস্ত অমিতাভপুত্র। ব্যস্ততার ফাঁকে কিছুটা সময় মিলতেই প্রিয়তমার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলেন অভিষেক। দীর্ঘদিন পর ঐশ্বর্য-অভিষেকের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই হয়ে উঠেছে বিনোদনের 'হট কেক'। নিউ ইয়র্কের রাস্তায় সান্ধ্য ভ্রমণের সময় হঠাৎ বচ্চন দম্পতির দিকে নজর যায় এক ভক্তের।
সুখী দম্পতি
পছন্দের জুটির সঙ্গে সেলফি তুলে নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে লেখেন, 'আমাদের প্রিয় বলিউডের অন্যতম সেরা দম্পতির সঙ্গে দেখা করে দারুণ লাগল! তাঁদের একসঙ্গে দেখে ভীষণ ভালো লাগছে।' অতঃপর তারকা জুটির একাধিক ফ্যানপেজে ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়ে যায় যুগলের ছবি। আপাদমস্তক কালো পোশাকে রাই সুন্দরীর গ্ল্যামার যেন ঠিকরে বেরচ্ছিল।
বচ্চন পরিবার
অভিষেকের পরনে ছিল টি-শার্ট আর টুপি। শুটিংয়ের মাঝে দম্পতির এই পারিবারিক মুহূর্তের মিষ্টি ঝলক যে তাঁদের বিচ্ছেদ জল্পনাকে চিরতরে ধূলিস্মাৎ করে দিল তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। গত বছরই কিন্তু, অভিষেকের মন্তব্যে তাঁদের সম্পর্কের অটুট বন্ধনেরই ইঙ্গিত দিয়েছিল। জুনিয়র বচ্চন এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, "দিনের শেষে আমি আমার পরিবারের কাছে ফিরতেই ভালোবাসি। আমার স্ত্রী কখনই বাইরের মানুষের কথায় কর্ণপাত করেন না আর শুধু তাই নয় প্রথমে আমার মা এবং তারপরে আমার স্ত্রী এঁরা দু’জনেই পারিপার্শ্বিক বিষয়কে পরিবারের উপর প্রভাব ফেলতে দেন না।"
ভক্তের ক্যামেরাবন্দি বচ্চন দম্পতি
ব্যক্তিগতজীবনকে বরাবরই লাইটলাইট থেকে দূরে রাখেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকালী সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি কী, তা নিয়েও মজার মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, স্বামীদের উচিত প্রতি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে স্ত্রীকে অন্তত তিনবার 'সরি' বলা উচিত। সফল দাম্পত্য নিয়ে অভিষেকের সংযোজন, "ঐশ্বর্য শুধু আমার মেয়ে আরাধ্যার মা-ই নন, আরাধ্যাকে সঠিক মূল্যবোধে বড় করে তোলার পুরো কৃতিত্বও ওঁর। আমার জীবনের প্রকৃত সঙ্গী। আমাদের বিবাহিত জীবনের উনিশ বছর যেন স্বপ্নের মতো কেটেছে। বিয়ের ২০তম বিবাহবার্ষিকী নিয়ে আমার একটা পরিকল্পনা আছে। তবে এখনই তা জানাতে চাই না।"
