নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান অভিনেতাদের মধ্যে শ্রেয়া-সৌম্যর নাম প্রথম সারিতে। দু’জনেই একাধিক ছবিতে নজর কেড়েছেন। এবার এক স্বাধীন ছবির জন্য জুটি বাঁধছেন তাঁরা। সৌম্য মুখোপাধ্যায় এবং শ্রেয়া ভট্টাচার্যকে দেখা যাবে মানস মৈত্রর প্রথম ছবিতে। আপাতত ছবির নাম ‘কেউ আসবে বলে’।
পরিচালক মানস মৈত্র পেশায় শিক্ষক তবে সিনেমা করার ইচ্ছে ছিল। সেকেন্ডহ্যান্ড আইফোন দিয়েই শুট করবেন ভেবেছিলেন। বিষয়টা তাঁর এক বন্ধুকে জানান, যিনি বিয়েবাড়ি শুট করেন। পরে তিনি মত পরিবর্তন করেন। পরিচালক বলছিলেন, ‘আমার বাড়ি আরামবাগ, একটা স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি পড়াই। শেষ আট মাস ধরে সিনেমার ভাবনা এবং স্ক্রিপ্ট লেখা। যতটুকু রিসোর্স আছে, তাই নিয়েই এগোই। এসআরএফটিআই-এর কিছু বন্ধুবান্ধব আছে, তাদের পাঠাই, তারা বলে এটা করতেই হবে। লেখালিখির কাজ অনেকদিন ধরেই করি। ছবির শুটিং প্রায় শেষের দিকে।’ গল্পটা কীরকম?
সৌম্য মুখোপাধ্যায় এবং শ্রেয়া ভট্টাচার্যকে দেখা যাবে মানস মৈত্রর প্রথম ছবিতে।
ছবির বিষয়টা একজন আধুনিক চিত্রকর-ভাস্করের গল্প নিয়ে। এবং আধুনিক সম্পর্কের কাহিনি। অনেক সময়ই দেখা যায়, দুটো মানুষ এক ছাদের তলায় কিন্তু যোগাযোগ নেই। একজন ব্যর্থ শিল্পীর আর্ট লাইফে ফেরা নিয়েই গল্প। ছবিটা তিনি উৎসর্গ করছেন বিশ্বের সমস্ত শিল্পীকে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার এই ফিল্ম মেকিং খুবই কষ্ট সাধ্য। ফান্ড ছিল না। বন্ধুবান্ধবরাই কিছু কিছু করে দিয়ে আমাকে সাহায্য করেছে। শুট হয়েছিল ব্যান্ডেলের একটা পুরনো বাড়িতে। এই ছবিতে সৌম্য চিত্রকরের ভূমিকায়। তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে শ্রেয়া। শ্রেয়ার চরিত্রটি মাড়োয়ারি পরিবারের। কিন্তু মা বাঙালি। মায়ের সাপ্রেশন সে দেখেছে। মেয়েটি এসরাজ বাজায় এবং ভোকাল আর্টিস্ট। এই দুই শিল্পীর একসঙ্গে থাকা এবং আস্তে আস্তে তাদের সম্পর্কের মধ্যে ভাঙন ধরা নিয়েই কাহিনি। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে আধুনিক সম্পর্কের কনসেপ্টটা ছবির মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি।’ আর দু’দিনের কাজ বাকি। ছবির মিউজিক করছেন নীল সরকার। অন্য দিকে সৌম্য অভিনীত ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’ সামনের সপ্তাহে মুক্তি পাবে। আর ‘কেউ বলে ডাকাত, কেউ বলে বিপ্লবী’ ছবিতে শ্রেয়াকে দেখা যাবে, এই ছবিটিও চলতি বছরে মুক্তির অপেক্ষায়।
