কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটে বোধ হয় একেই বলে! যন্তরমন্তরে জেন জি বিক্ষোভ এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর থেকেই বেনজির বাকযুদ্ধ চলছে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের মধ্যে। দিন দুই আগে সৌরভকে অকর্মণ্য বলেছিলেন কঙ্গনা। এবার পালটা কঙ্গনাকে তাঁর সবচেয়ে দুর্বল জায়গায় আঘাত করলেন সৌরভ। 'প্রাক্তন' হৃতিকের কথা মনে করিয়ে অভিনেত্রীকে খোঁচা দিলেন ওই 'ককরোচ'।
এক সাক্ষাৎকারে রসিকতার সুরেই সৌরভ দাস বললেন, "আমি বুঝতেই পারছি না কঙ্গনার মতো মানুষ আমার পিছনে পড়ে আছেন। আমার বন্ধুরা আমাকে মেসেজে করে বলছে, আমাকে বোধ হয় যুবক বয়সের হৃতিক রোশনের মতো দেখতে, সেকারণেই কঙ্গনা আমার পিছনে পড়ে রয়েছেন। তবে আমি বলব, আমার পিছনে পড়ে না থেকে নিজের দায়বদ্ধতায় নজর দেওয়া উচিত বিজেপি সাংসদের।" কঙ্গনাকে খোঁচা দিয়ে সৌরভ বলছেন, "আরে একটু শান্ত হোন। আসুন কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে নিই। এ দেশের একটা বড় সমস্যা কেউ কারও সঙ্গে কথাই বলতে চায় না।"
বস্তুত ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের শুরুর দিক থেকেই কঙ্গনা রানাউত আক্রমণাত্মক। একের পর এক বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন জেন জি-কে। এমনকী আস্ত একটা প্রজন্মকে তিনি 'নর্দমা' বলে কটাক্ষ করে গিয়েছেন। পালটা সৌরভ দাস প্রশ্ন তুলেছিলেন সাংসদ কঙ্গনার দায়িত্ববোধ নিয়ে। তিনি বলেন, “কঙ্গনাকে ওর নিজের দলের লোকেরাই খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। তাহলে আমরা কেন দেব? উনি নিজে বলেছেন সাংসদদের এত কাজ করতে হয় উনি জানতেন না। আমার মনে হয় ওনার কাজে মন দেওয়া উচিত।” সেই কটাক্ষ শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন বিজেপি সাংসদ। সৌরভকে একেবারে ব্যক্তিগত স্তরে আক্রমণ করেন তিনি। কঙ্গনা বলে দেন, সৌরভ দাস একটা ‘অকর্মণ্য’ ‘বেকার’। কঙ্গনার কটাক্ষ ছিল, 'সৌরভ, তোমার সমস্যাগুলো ব্যক্তিগত। তুমি ছাত্র নও, একজন বেকার মানুষ। আগে যে কোনও বিষয়ে দক্ষতা অর্জন কর, তারপর সেখান থেকে আগামীর পথচলা শুরু কর।’
সেই কটাক্ষ শোনার পর সৌরভ কঙ্গনাকে একেবারে তাঁর নরম জায়গায় আঘাত হানার পথে হাঁটলেন। খোঁচা দিলেন তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক হৃতিকের নাম নিয়ে। কঙ্গনার সঙ্গে হৃতিকের প্রেম এবং বিচ্ছেদ পর্ব কারও অজানা নয়। এখন দেখার কঙ্গনা কোনও জবাব দেন কিনা।
